পাইকারি দামের দ্বিগুনেরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ

পাইকারিতে ষোল থেকে আঠার টাকা কেজির পেঁয়াজই খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে দ্বিগুনেরও বেশি দামে। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও রোজা সামনে রেখে চলছে এ কারসাজি। পাইকার থেকে খুচরা পর্যায়ে কয়েক স্তর পেরুনো পেঁয়াজের বাজার তদারকিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে বিশেষ কর্মসূচি নেয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আর পাইকারদের প্রস্তাব বাজারজাতকরণের সব স্তরে পাকা রশিদ চালু করার।

পুষ্টির বিচারে অপরিহার্য না হলেও বাঙালি রান্নার স্বাদের জন্য পেঁয়াজের বিকল্প নেই। আর ইফতারির আবশ্যিক আইটেম পেঁয়াজু তৈরিতে তা আরো জরুরি। রমজানে ইফতার-সেহরির অন্যান্য রেসিপিতেও পেঁয়াজের ব্যবহার বেড়ে যায় তিরিশ শতাংশ পর্যন্ত। এরপরও বাজারে পেঁয়াজ সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই।

কিন্তু সরবরাহ অনুপাতে কমছে না পেঁয়াজের দাম। পাইকারি আর খুচরা পর্যায়ে দামের ফারাকও বিস্তর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাতবদলের সংখ্যা বেশি হওয়ায় পেঁয়াজের বাজার তদারকি সাধারণ নিয়মে সম্ভব নয়। প্রতি বছর রোজায় পেঁয়াজ নিয়ে আতঙ্কের জন্য ভোক্তাদের অহেতুক পেঁয়াজপ্রীতিকেও কারণ হিসেবে দেখছেন অনেকে।

You may also like

ডাকাত সন্দেহে পুলিশদের গণপিটুনি, গ্রেপ্তার আতংকে পুরুষ শূণ্য গ্রাম

ডাকাত মনে করে পুলিশ পেটানোর জেরে গ্রেপ্তার আতংকে