নামে ‘জাতীয় বাজেট’ হলেও কর্তৃত্ব দুটি মন্ত্রণালয়ের

নামে ‘জাতীয় বাজেট’ হলেও শুধু দুটো মন্ত্রণালয়ের হাতেই রয়ে গেছে এর গোটা কর্তৃত্ব। স্থানীয় সরকার, জনপ্রতিনিধি তো বটেই এমনকি অন্য মন্ত্রণালয়গুলোও এ ব্যাপারে যেন ‘ঠুটো জগন্নাথ’। বাজেট আলোচনার নামে ব্যবসায়ীসহ কিছু ইন্টারেস্ট গ্রুপের মত নেয়া হলেও যাদের জীবনে বাজেটের প্রভাব সরাসরি, সেই সাধারণ মানুষ বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়ার ধারে কাছেও নেই।

জুন মানেই জাতীয় বাজেট, সরগরম সংসদ অধিবেশনে। সারা দেশের মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্যদেরই দায়িত্ব ছিলো বাজেটকে জনগণের পক্ষে প্রভাবিত করার। কিন্তু দল ও ব্যক্তি পুজার বাইরে বাজেট আলোচনায় সংসদ সদস্যরা কতটুকু ভূমিকা রাখেন তা নিয়ে প্রশ্ন বিশ্লেষকদের।

মাত্র দুটো মন্ত্রণালয়ের হাতে বাজেট প্রণয়ন সর্বময় ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকায় স্থানীয় পর্যায়ের উন্নয়ন চাহিদা ও পরিকল্পনা যেমন বাজেটে অন্তর্ভূক্ত হতে পারছে না, তেমনি, নারী, আদিবাসী, প্রতিবন্ধী, দলিতদের মত পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীও পাচ্ছে না ন্যায্য বরাদ্দ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজেট প্রণয়নে অগণতান্ত্রিকতার প্রকট প্রকাশ ঘটে বড় প্রকল্পগুলো গ্রহণের সময়। যেকারণে জনমত উপেক্ষা করেই রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মত প্রকল্প বাজেটে অন্তর্ভূক্ত হয়। অর্থনীতির গভীরতা যত বাড়ছে ততই কঠিন হচ্ছে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করে জনমুখী বাজেট প্রণয়ন। তাই বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়াকে ঢেলে সাজানো এখন সময়ের দাবি বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

You may also like

ডাকাত সন্দেহে পুলিশদের গণপিটুনি, গ্রেপ্তার আতংকে পুরুষ শূণ্য গ্রাম

ডাকাত মনে করে পুলিশ পেটানোর জেরে গ্রেপ্তার আতংকে