ঈদে ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা হাতবদল হবে, ধারণা অর্থনীতিবিদদের।

ঈদ উৎসবে চাঙ্গা দেশের অর্থনীতি। মানুষের কেনাকাটার সামর্থ্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রমেই বড় হচ্ছে ঈদকেন্দ্রিক অর্থনীতির আকার। এবার ঈদে দেশে ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা হাতবদল হবে, ধারণা অর্থনীতিবিদদের। দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বা বড় কোনো বিপর্যয় না ঘটায় বেশ স্বাচ্ছন্দেই উৎসবে মেতেছে উৎসবপ্রিয় জাতি।

ঈদ, পূজা বা পহেলা বৈশাখের মতো উৎসবের প্রধান অনুষঙ্গ নতুন পোশাক। আনন্দোৎসবে ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে পোশাক কেনাসহ ভোগ্যপণ্যের ওপর আকর্ষণ ছেলে-বুড়ো সবারই। ঈদকেন্দ্রিক অর্থনীতি এখন কেবল পাঞ্জাবি-জামা বা শাড়িতেই থেমে নেই, কেনাকাটার গতি ঠেকেছে নতুন বাড়ি-গাড়ি কেনাতেও। তবে, ঈদকেন্দ্রিক অর্থনীতির বড় অংশজুড়েই রাজত্ব পোশাকের।

নামি-দামি ব্র্যান্ড ছাড়াও হাজার পাঁচেক ফ্যাশন হাউস আর ছোট-বড় ২৫ লাখ দোকান চাহিদা মেটাচ্ছে ভোক্তাদের। নানান ভোগ্যপণ্যের মধ্যে ঈদে শুধু সেমাই বিক্রি ছাড়ায় শতকোটি টাকার। এ সময়ে নগরীর অনেকে গ্রামে যাওয়ায় সেখানকার লেনদেনও হয় চাঙা, যা অর্থনীতির জন্য শুভ লক্ষণ বলছেন অর্থনীতিবিদরা।

পোশাকের বড় অংশ ভারত-পাকিস্তানের দখলে থাকা এবং আমদানি নির্ভর ভোগ্যপণ্যের কারণে আয়ের বড় অংশই চলে যাচ্ছে বিদেশে। এ পরিস্থিতিতে ভোক্তা চাহিদা বুঝে বৈচিত্রময় পণ্য প্রস্তুত এবং ঈদকে ঘিরে অর্থনীতির সঠিক তথ্য যাচাইয়ে গবেষণার ওপর জোর দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

 

You may also like

সিনহার দুর্নীতির তদন্ত প্রশ্নে বিব্রত দুদক চেয়ারম্যান

দুর্ণীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, সুনির্দিষ্ট