নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা

কোরবাণী ঈদের এখনো এক মাস বাকি। কিন্তু এরই মধ্যে বেড়ে গেছে এই ঈদের অন্যতম প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য পেয়াজের দাম। রসুন ও আদার দামও বেড়েছে রেকর্ড হারে। খুচরা ও পাইকাররা জানিয়েছেন, দাম বাড়ানোর জন্য দায়ী আমদানিকারক ও গুদাম মালিকরা।

এক মাস আগে রাজধানীর কাওরানবাজারে পাঁচ কেজি দেশি পেঁয়াজের পাইকারি দাম ছিলো ১০০ থেকে ১২০ টাকা। অর্থাৎ কেজি ২২ থেকে ২৪ টাকা। সেই পেয়াজ এখন বেড়ে দাড়িয়েছে পাল্লা প্রতি ২০০ টাকা। খুচরা বাজারে প্রতি পাল্লা পড়ছে ২২০ থেকে ২৪০ টাকা পর্যন্ত। খুচরা ও পাইকারি দোকানিরা বলছেন, দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে তাদের কোন ভূমিকা নেই।

দাম বেড়েছে আদা ও রসুনেরও। প্রতি কেজি পণ্যে দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত। দোকানিরা জানান, বৈরি আবহাওয়ায় পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াই দাম বাড়ার মূল কারণ। এদিকে, কাচা মরিচের দামও বেড়েছে এ সপ্তাহে। বৃষ্টির কারণে ফসল নষ্ট হওয়ায় কাচা মরিচসহ অন্য সবজির দাম বেড়েছে, দাবি দোকানিদের। ক্রেতারা বলছেন, দুর্বল মনিটরিংয়ের কারণেই পণ্যমূল্য বাড়ছে। কোরবাণী ঈদের আগে পেয়াজের দাম কমে আসার কোন আশা নেই বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

আরিফুল হক, বাংলাভিশন, ঢাকা

You may also like

বাবরি মসজিদ রায়: এবার মুখোমুখি শিয়া-সুন্নিরা

ভারতের অযোধ্যায় গুড়িয়ে দেয়া বাবরি মসজিদের জমিতে রাম