কোনভাবেই কাটছে না দেশের শেয়ারবাজারে অস্থিরতা

কোনভাবেই যেন কাটছে না দেশের শেয়ারবাজারে অস্থিরতা। তাই সূচকের তলানী যে কোথায় তা অনুমান করতে পারছেন না, বাজার বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, খেলাপি ঋণের কারণে ব্যাংকগুলোর আর্থিক ভিত্তি দুর্বল হয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে শেয়ারবাজারেও। পুঁজিবাজার থেকে বিদেশী বিনিয়োগকারী কমে যাওয়াকেও নেতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। শেয়ারবাজারের পতন যেন নিয়মিত ঘটনা। ২০০৯ সালের ধসের পর দীর্ঘ ১০ বছরেও স্থিতিশীল হলো না বাজার। সরকারের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ ও আশার কথার কোন কাজ হয়নি। বরাবরই হতাশার মধ্যে আটকে আছেন বিনিয়োগকারীরা।

সূচক পতন ধারায় চলতি মাসে ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক নামে পাঁচ হাজার পয়েন্টের নিচে। আর এখনো সূচক পাঁচ হাজারের নিচে অবস্থান করছে। শেয়ারবাজারে তালিকাভূক্ত রয়েছে ৩০টি ব্যাংক। তাই এক সময় ব্যাংকগুলোর শেয়ারের দরের ওপরই নির্ভর করতো শেয়ারবাজার। গ্রামীণফোনের তালিকাভূক্তিতে পরিস্থিতি কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। আর এখন একই সাথেই দর হারাচ্ছে কোম্পানিগুলোর শেয়ার। ভালো মৌল ভিত্তির কোম্পানিকে তালিকাভূক্তিতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগের ওপর জোর দেন তারা।

You may also like

ভারতের সাথে সুসম্পর্কের কোনো টানাপোড়েন চায় না বাংলাদেশ: কাদের

ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধন বিলের বিষয়টি সরকার গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ