বিদ্যুতে সরকারের ভুল পরিকল্পনার মাসুল দিচ্ছে জনগন: বিশেষজ্ঞ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ভর্তুকি সমন্বয় করতে আরো চার-পাঁচ বছর বিদ্যুতের দাম বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, এ খাতের ভর্তুকি সমন্বয় করতে গিয়ে দাম বাড়াতে হয়েছে। এটা বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি নয়, দাম সমন্বয়। এমন যুক্তির প্রতিক্রিয়ায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতের বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ আহমেদ বলছেন, বিশ্ববাজারে তেল, কয়লা, এলএনজি সবকিছুর দাম কম। ব্যয়বহুল ভুল পরিকল্পনার দায় সমন্বয় করতেই জনগনের ওপর বাড়তি দামের বোঝা চাপাচ্ছে সরকার। নতুন বিদ্যুৎ বিলের হারে খুচরা গ্রাহকদের ইউনিটপ্রতি ৩৬ পয়সা করে বাড়ানো হয়েছে। একইসঙ্গে বাড়ানো হয়েছে পাইকারি বিদ্যুতের দাম ও সঞ্চালন চার্জও। এ দাম মার্চ মাস থেকে কার্যকর হবে অর্থাৎ এপ্রিল মাসে গ্রাহকরা এই বাড়তি দামে বিদ্যুতের বিল দেবেন।

শহরের থেকে গ্রামে অর্থাৎ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের মোট ১ কোটি ৩৮ লাখ লাইফ লাইন গ্রাহকের মধ্যে ১ কোটি ২১ লাখ গ্রাহকের প্রত্যেকের বিল বাড়বে মাসে ৫ থেকে ৬ টাকা করে। আর বাকি ১৭ লাখ লাইফ লাইন গ্রাহকের প্রত্যেকের বিল বাড়বে ১৫ থেকে ১৮ টাকা করে। সুতরাং নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর মূল্যবৃদ্ধির তেমন একটা প্রভাব পড়বে না বলে মনে করেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী। তেলভিত্তিক কেন্দ্রের কারণে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, তাই বিদ্যুতের দাম সমন্বয়, এমন যুক্তি দাঁড় করাচ্ছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। কিন্তু জনগন তো সমন্বয় বোঝে না, তাকে বাড়তি দাম দিয়েই বিদ্যুৎ কিনতে হবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। সর্বশেষ ২০১৭ সালের নভেম্বরে বাড়ানো হয়েছিলো বিদ্যুতের দাম।  দিপন দেওয়ান,বাংলাভিশন, ঢাকা।

You may also like

০৩ এপ্রিল, শুক্রবার ২০২০

সকাল ৮:৩০ : দিন প্রতিদিন বেলা ১০:০২ :