১৩টি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভ

লকডাউন উপেক্ষা করে গাজীপুরের অন্তত ১০টি পোশাক কারখানায় বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে শ্রমিকরা। এদিকে, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এবং সোনারগাঁয়েও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে তিনটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা ট্রাকষ্ট্যান্ড এলাকায় ইলিবাট কিংসওয়্যার লি: পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে। বকেয়া বেতনের দাবিতে তারা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে। একই দাবিতে শ্রীপুরে কেওয়া এলাকায় নাবিক স্পিনিং মিলে বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেয়। পরে দুইদিনের মধ্যে বেতন পরিশোধের প্রতিশ্রুতিতে বিক্ষোভ থেকে সরে আসে তারা। এদিকে, কোনাবাড়ি এলাকার ৮টি কারখানায় বেতনের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে শ্রমিকরা।

এছাড়া মহানগরের বাসন, কোণাবাড়ি এলাকা ও শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া এলাকার বেশ কয়েকটি কারখানায় ছাঁটাই বন্ধ ও বেতনের দাবিতে শ্রমিক অসন্তোষ চলছে। এসময় জরুরি পণ্যবাহী গাড়ি আটকা পড়ে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। বেতনের বিষয়টি সুরাহার আশ্বাস দেন শিল্প-পুলিশ গাজীপুর-২ এর পরিচালক সিদ্দিকুর রহমান। এদিকে, দুই মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও সোনারগাঁয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে তিনটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। ফতুল্লা থানার পোস্ট অফিস চত্বর ও পুলিশ লাইন এলাকায় হামিদ ফ্যাশন ও টিএস স্পোর্টস লিমিটেড নামের দুইটি পোশাক কারখানার প্রায় তিন শতাধিক শ্রমিক ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কে অবস্থান নেয়। একই সময়ে সোনারগাঁ ইউবামিট নামে একটি পোশাক কারখানায় চার মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে এবং শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক প্রায় দেড়ঘন্টা অবরোধ করে রাখে বিক্ষোভকারী। পরে পুলিশ মালিকদের সাথে কথা বলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন। খেয়ে-পড়ে বাঁচার জন্য দ্রুত পোশাক কারখানার মালিকরা তাদের শ্রমের মজুরি পরিশোধ করবে, এমনটাই দাবি শ্রমিকদের।

 

You may also like

ঈদ-উল-ফিতরের ৩য় দিন, ২০২০

সকাল ১০:০৫ : বাংলা চলচ্চিত্র ‘রাজা বাবু’; অভিনয়ে: