জিডিপি ও বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রাও বাস্তবসম্মত নয়: সিপিডি

২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রণয়নে, সরকার করোনা বাস্তবতা মাথায় নেয়নি বলে মনে করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডি। জিডিপি ও রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা কোনটাই অর্জিত হবে না বলেও মন্তব্য করে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি। তারা বলেছে, বাজেট গতানুগতিকা ও বাস্তবায়ন অসম্ভব। ঘাটতি বাজেটের বিশাল অংক ব্যাংকব্যবস্থা থেকে নেয়া হলে, ব্যক্তি বিনিয়োগ ধাক্কা খাওয়ার সাথে ব্যাংকিং খাত সংকটে পড়বে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটির অর্থনীতিবিদরা। বাজেট ঘোষণা পরের দিন প্রতিবছর ধারাবাহিকভাবে বাজেট পর্যালোচনা করে, নিজেদের বিশ্লেষন তুলে ধরে সিপিডি।

করোনার কারণে এবার অনলাইনে ব্রিফিংয়ে আয়োজন করা হয়। সুচনা বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে অগ্রাধিকার খাতগুলো সঠিকভাবে নির্নয় করা হয়নি। স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থও অপর্যাপ্ত। বাজেটে সবচে বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিৎ ছিলো দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থানের সৃষ্টির দিকেই।

বিশ্বব্যাংকের ধারনা আসছে অর্থবছরে দেশে জিডিপি নামতে পারে এক শতাংশে। দেশি-বিদেশী কয়েকটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বলছে, তা হতে পারে ৩ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে। যদিও সরকারের আশা ৮.২ অর্জনের। জিপিডির এ লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মোটাদাগে প্রশ্ন রয়েছে সিডিপির। করোনাকালে চাকরি বাজার উদ্বেগজনকভাবেই ছোট হচ্ছে। তাই এবার কর্মসংস্থান সৃস্টির জন্য বিনিয়োগেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবার কথা বলছেন বিশ্লেষকরা। কিন্তু সরকার গত বছরের চেয়ে এবার প্রায় দ্বিগুন অর্থ নিতে চায় ব্যাংক থেকে। যার পরিমাণ ৮৪ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা। সিপিডি বলছে, এর ফলে ব্যক্তি বিনিয়োগ কমবে। কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দিয়ে, সৎ করাদাতাদের প্রতি অন্যায় করা হয়েছে বলে মনে করে সিডিপি।

You may also like

দেশে করোনায়ও তৎপর কিশোর গ্যাং

করোনার এই কঠিন সময়েও দেশের বিভিন্ন শহরে কিশোর