দেশে রেকর্ড পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়েছে

করোনা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহতার মধ্যেই দেশে রেকর্ড পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়েছে। কিন্তু উৎপাদক পর্যায়ে খরচ কমানো ও কৃষকের শ্রমের দাম নিশ্চিত করা যায়নি। এমনকি ন্যায্যমূল্যে খাদ্যপণ্য বাজারে কিনতে পারছেননা ভোক্তারাও। দেশে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য উৎপাদন হওয়ার পরও চাল-ডাল, আলু-পেঁয়াজসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম চড়া। সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির ফলে দেশে বেড়েছে খাদ্যশস্যের উৎপাদন। ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে মোট খাদ্যশস্য উৎপাদন ছিল তিন কোটি ২৮ লাখ ৯৬ হাজার টন। গত দশ বছরে তা বেড়ে এখন উৎপাদন হচ্ছে প্রায় চার কোটি ৫৪ লাখ টন।

বেড়েছে চাল,গম, আলু ও পেয়াজের উৎপাদনও। গত দশ বছরের উৎপাদন চিত্র তুলে ধরে সরকার দাবি করছে, নিশ্চিত হয়েছে খাদ্য নিরাপত্তা।  খাদ্যের উৎপাদন যতই বাড়ুক, খাদ্যপণ্যের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে পারেনি সরকার। দাম পাচ্ছেননা কৃষক। বাজারের নিয়ন্ত্রন অসাধু চক্রের হাতে। তাই সবার জন্য খাদ্য নিশ্চিত করাই সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলএ মনে করছেন কৃষি অর্থনীতিবিদরা।  দেশের খাদ্যশস্যের উৎপাদন যেহেতু বেড়েছে তাই এখন পুষ্টি নিয়ে সচেতন থাকতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে সবার জন্য নিরাপদ খাদ্যের। রিশান নাসরুল্লাহ বাংলাভিশন, ঢাকা

You may also like

পদ্মা সেতুর ৫ হাজার একশ মিটার দৃশ্যমান

মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর ৩৪ তম স্প্যান