নিত্যপণ্যের চড়ামূল্যের দরুণ বিপাকে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ

কাঁচাবাজারে মানুষ যেতে বাধ্য, আবার যাওয়াও যেন সাধ্যের বাইরে। বিশেষ করে সীমিত আয়ের মানুষ খাদ্যসহ নিত্যপণ্যের দামে রীতিমতো অসহায়। করোনা মহামারিসহ নানা কারণে ১৬ অক্ট্রোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস এবার মানুষের কাছে খুবই প্রাসঙ্গিক। কিন্তু, খাদ্যসহ নিত্য পণ্যের দামে দিবসটি তাদের কাছে পরিহাসের মতো। করোনায় একদিকে কমে গেছে তাদের আয়-রোজগার।

আরেকদিকে নিত্যপণ্যের চড়ামূল্য চরম বিপাকে ফেলেছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষকে। চালের পর সবজি-তেলসহ অন্যান্য পন্য কিনতে গিয়ে অসহায় তারা।
সরবরাহে দৃম্যমান ঘটতি না থাকলেও কাঁচা মরিচের কেজি এখনও দুইশ টাকা থেকে নামেনি। বেশিরভাগ সবজির কেজি ৭০ টাকার বেশি। একটি লাউ যখন ৫০ টাকা নিচে পাওয়া যায় না, তখন বাকি সবজির দামের ধারনা পাওয়া কঠিন নয়। আলুর বাজারে কাজীর গোয়ালের দশা। ভোক্তা পর্যায়ে আলুর কেজি সর্বোচ্চ ৩০ টাকা সরকার বেঁধে দিলেও বাজারে ৪৫ টাকার কম নয়। পাইকারি বাজারে এখন পেঁয়াজের কেজি ৮২ টাকার বেশি। খুচরা বাজারে ৯০ টাকার কাছাকাছি।  বাজারে সরকারের কার্যকর মনিটর থাকলে নিত্য পণ্যের দাম এতটা চড়তো না বলে বিশ্বাস ক্রেতাদের।

You may also like

পদ্মা সেতুর ৫ হাজার একশ মিটার দৃশ্যমান

মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর ৩৪ তম স্প্যান