প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীই যেখানে অসহায়, সেখানে শিক্ষার্থী অভিভাবকরা কোথায় যাবেন!

প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীই যেখানে অসহায়, সেখানে শিক্ষার্থী অভিভাবকরা কোথায় যাবেন!

প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীই যেখানে অসহায়, সেখানে শিক্ষার্থী অভিভাবকরা কোথায় যাবেন! এমন প্রশ্ন শিক্ষাবিদদের। শিক্ষা ব্যবস্থার এমন হাল চলতে থাকলে বাংলাদেশের ভবিষ্যত নিম্নগামী হবে বলেও আশংকা তাদের। সরকারকে আরো কঠোর হওয়ার আহবান জানিয়েছেন শিক্ষাবিদরা।

পরীক্ষার সঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁস শব্দটি যেন একই গতিতে চলছে। ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষার গণিতের প্রশ্ন ফাঁস হয় এবার।

শিক্ষামন্ত্রী জানান প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রমাণ পাওয়া গেলে পরীক্ষা বাতিল হবে। প্রমাণ ঠিকই পাওয়া গেছে। কিন্তু কিসের কি! বরং উল্টো পথ ধরলেন তিনি। এ বিষয়ে সব নাকি খুলে বলতে পারছেন না।

মন্ত্রী যদি অপারগ হন তবে পারবেন কে? এমন প্রশ্ন দেশের স্বনামধন্য শিক্ষক হামিদা আলীর। তিনি বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে দিন দিন দেশের শিক্ষার মান যেভাবে নিচের দিকে নামছে তাতে জাতির মেরুদন্ড ভেঙ্গে পড়বে।

প্রশ্ন কিনে সন্তানদের শিক্ষিত করার মাঝে গর্ব নেই, আছে লজ্জা। অভিভাবকদের প্রতি এমন কথা বলেন আরেক শিক্ষাবিদ বুয়েটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ।

পরীক্ষা এলেই মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি। ক’দিন পরে আবার থেমে যায় সে আলোচনা। কিন্তু সেই প্রশ্ন ফাঁসে যখন জড়িত থাকেন শিক্ষক, তখন জাতির ভবিষ্যত নিয়ে থেকে যায় প্রশ্ন!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও

বাধ ভেঙে তলিয়ে গেছে পাপনার হাওরের সাড়ে আট হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান

বাধ ভেঙে এবার তলিয়ে গেছে সুনামগঞ্জের পাপনার হাওরের