ছাত্রদের কাঁধে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে বইয়ের বোঝা

দেশজুড়ে সরকার বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ করলেও সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ গাইড বই কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে অভিভাবকদের। ছাত্রদের কাঁধে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে বইয়ের বোঝা। এমন চিত্র গাইবান্ধার অধিকাংশ কিন্ডারগার্টেন, বেসরকারী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত বইয়ের জন্য প্রকাশনা সংস্থাগুলোর সাথে আর্থিক লেনদেনেরও অভিযোগ রয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী জান্নাত। প্রতিদিন সাত সকালে ব্যাগ বোঝাই বইয়ের ভারে একেবারে নাকাল ছোট্ট এই মেয়েটি।

শুধু জান্নাত নয়, গাইবান্ধার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নানাভাবে শিশুদের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে বই-খাতার পাহাড়। বয়সের তুলনায় অতিরিক্ত বইয়ের চাপ শিশুদের জন্য এক ধরনের মানসিক নির্যাতন বলে মনে করেন সচেতন অভিভাবকরা। পাঠ্যসূচিতে অতিরিক্ত বই সংযুক্ত করার বিষয়ে গাইবান্ধার বেশ কটি নামীদামী স্কুলের বিস্ময়কর তথ্য উঠে এসেছে বই ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেই। তবে অভিযোগ মানতে নারাজ শিক্ষকরা। শিশুর জ্ঞান আহরণ স্বাভাবিক গতিতে হওয়াই বাঞ্ছনীয়, বলছেন শিক্ষাবিদরা। তাদের মতে, এতে তাদের মানসিক শক্তিও দৃঢ় হবে। পাঠ্য বইয়ের বাইরে গাইড বইয়ের ব্যবহারের প্রমাণ পেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস প্রশাসনের। পাঠ্য বই দিয়েই নিশ্চিত করতে হবে শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা, বলছেন অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টরা।

 

You may also like

১৪ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার ২০১৯

সকাল ৮:৩০ : দিন প্রতিদিন বেলা ১১:০৫ :