মানিকগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে নদী ভাংগন

নদীতে পানি বাড়ার সাথে সাথে মানিকগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে নদী ভাংগন। গত ১৫দিনের ভাংগনে জেলার হরিরামপুর, দৌলতপুর, শিবালয় ও সদর উপজেলার অন্তত সাতশ বাড়িঘর, বহু ফসলী জমি, গাছপালা নদীতে বিলীন হয়েছে। ভাংগনের হুমকিতে আছে আরো কয়েকশ বাড়িঘরসহ বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিস্তীর্ন ফসলী জমি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ভাংগন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

পদ্মা ও যমুনাসহ মানিকগঞ্জের আভ্যন্তরীন নদ-নদীগুলোতে বাড়ছে পানি। পানি বাড়ার সঙ্গে তীব্র স্রোতে শুরু হয়েছে নদী ভাংগন। এরই মধ্যে যমুনার ভাংগনে দৌলতপুর উপজেলার বাচামারায় দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, একটি মসজিদ ও একটি মাদ্রাসা এবং শিবালয় উপজেলায় একটি উচ্চ বিদ্যালয়সহ তিন শতাধিক বাড়িঘর ও বহু ফসলী জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এই দুই উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের আরো কয়েকশ বাড়িঘর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভাংগনের মুখে পড়েছে। এমন নদী ভাংগনে আতংকিত হয়ে পড়েছে এলাকার মানুষ ।

এদিকে পদ্মা নদীর ভাগন শুরু হয়েছে হরিরামপুর উপজেলায়ও। গত ১৫দিনের ভাংগনে বাহাদুরপুর, রামকৃষ্ণপুর, কাঞ্চনপুর ও আজিমনগর ইউনিয়নে তিন শতাধিক বাড়িঘর, গাছপালা, ফসলী জমি নদীগর্ভে চলে গেছে। ভাংগনের মুখে পড়েছে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ আরো বহু বাড়িঘর। ভাংগনরোধে স’ায়ী বাঁধ নির্মানের দাবী এলাকাবাসীর ।

হরিরামপুরের ভাংগন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন স’ানীয় সংসদ সদস্য ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা। ভাংগন রোধে এখই সাময়িক কিছু ব্যবস’া গ্রহন ও আগামীতে স’ায়ী বাঁধ নির্মানের আশ্বাস দিয়েছেন তারা প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে এমন ভাংগনের শিকার হন পদ্মা ও যমুনার পাড়ের মানুষ। বরাবরই স’ায়ী বাঁধ নির্মানের আশ্বাস থাকলেও কাজের কাজ কিছুই হয়না বলে দাবী এলাকাবাসীর।

You may also like

১৪ নভেম্বর, বুধবার ২০১৮

বেলা ১২:০৫ : বাংলা সিনেমা বিকেল ৫:২০ :