দিনাজপুরে দুটি স্কুলে চলছে দোকানদার বিহীন দোকান

দিনাজপুরের বিরামপুরে দুটি স্কুলে চলছে দোকানদার বিহীন দোকান। যে যার মত সওদা কিনছে, নিজ দায়িত্বে টাকা রাখছে ক্যাস বক্সে। কেনা-বেচা হয় সততার মাধ্যমে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতন আর নীতি-নৈতিকতার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের গড়ে তুলতেই এমন উদ্যোগ, বলছেন-স্কুল সংশ্লিষ্টরা। হিলি প্রতিনিধি মুরাদ ইমাম কবিরের পাঠানো রিপোর্ট।

দোকান আছে দোকানদার নাই। থরে-থরে সাজানো খাতা-কলম, রুলার, পেন্সিল, পেন্সিল বক্সসহ শিক্ষার নানা উপকরণ। সেই সাথে টিফিনের জন্য রয়েছে বিস্কিট, চকলেটসহ নানা খাবারসামগ্রী। ক্রেতা থাকলেও এখানে বিক্রেতা নেই। নাম যেহেতু ‘সততা ষ্টোর’ তাই সততার মাধ্যমেই বেচা-কেনা হয় বিক্রেতাহীণ এই দোকানে।

ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের পছন্দের পণ্যটি নিয়ে, নিজ দায়িত্বে ক্যাশবক্সে টাকা রাখে দেয়। আর এভাবেই চলে এই দোকানের কেনা-বেচা। নাম “সততা ষ্টোর” তাইএমনই এক দোকান চালু করেছে দিনাজপুরের বিরামপুর আদর্শ হাই স্কুল ও সরকারী বালিকা বিদ্যালয় কর্তৃপৰ।

বিদ্যালয় সংশিৱষ্টরা বলছেন, এখানে অনিয়মের সুজোগ থাকলেও ছাত্র-ছাত্রীরা তা করছে না। শিশুদের ছোট থেকে প্রাতিষ্ঠানিক শিৰার পাশাপাশি নীতি-নৈতিকতার চর্চা করতেই এমন উদ্দোগ নেয়া হয়েছে। এছাড়াও এর মাধ্যমে শিৰার্থীরা অংক বা হিসাব-নিকাশও শিখতে পারছে।

স্কুল কর্তৃপৰের এই উদ্দোগকে সাধুবাদ জানিয়ে স’ানীয়রা বলছেন, এর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীরা যেমন স্কুল জিবন থেকে ন্যায়-অন্যায় বুঝতে শিখবে তেমনি অনিয়ম দূর্নীতি থেকেও তারা দুরে থাকবে। বিমাপুরের মত জেলার অন্যান্য শিৰাপ্রতিষ্ঠান গুলোতেও এমন “সততা স্টোর” চালু করা হলে দেশে অনিয়ম-দূর্নীতি একসময় কমে আসবে বলে মনে করছেন সংশিৱষ্টরা।

You may also like

সরকারের ইন্ধনেই নয়াপল্টনে সংঘর্ষ : মির্জা ফখরুল

এদিকে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ