বরিশালের ভাসমান পেয়ারা বাজারের পরিচিতি বাড়ছে

বরিশালের ভাসমান পেয়ারা বাজারের পরিচিতি বাড়ছে দিনকে দিন। প্রতিদিন অসংখ্য দেশি-বিদেশি পর্যটক আসছেন বরিশালের তিনটি জেলার সীমানাঘেঁষা বিশাল আয়তনের এই পেয়ারার সাম্রাজ্যে। প্রায় পাঁচ হাজার পেয়ারা বাগানের ওপর জীবিকা নির্বাহ করে এই অঞ্চলের হাজার পঞ্চাশের বেশি মানুষ।

এ এক অপরুপ দৃশ্য। দুচোখ ভরে দেখতেই যেন মন চাইবে। বরিশালের এই পেয়ারা বাগানের নাম-ডাক এখন দেশ-বিদেশে। হবেই না কেন? ৩১ হাজার একর জমির ওপর স্নিগ্ধতার আবেশ ছড়ানো এতো বড় পেয়ারা বাগান যে এশিয়ার মধ্যে অনন্য। একদিকে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য অন্যদিকে, খাল-নদীর দেশে চারদিকে জলের ছোঁয়া।

বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর এই তিন জেলার সীমানা ঘেঁষে ছাব্বিশটি গ্রাম ঘিরে প্রায় পাঁচ হাজার পেয়ারা বাগান। স্থানীয়ভাবে গইয়া নামে পরিচিত এই পেয়ারার সাম্রাজ্যে আছে পেয়ারা পার্ক। যেখানে যতোখুশি খাওয়া যাবে পেয়ারা আর এজন্য কোনো গুনতে হবে না ১টি টাকাও। এই পার্কে প্রায় প্রতিদিন ঘুরতে আসেন অসংখ্য ভ্রমন পিয়াসুরা।

চাষীরা জানিয়েছেন, ঝালকাঠির এই ভিমরুলি বাগান থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হয় সুস্বাদু পেয়ারা। মূলত জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর পেয়ারার মৌসুম। সপ্তাহে সাতদিনই ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত বসে ভাসমান পেয়ারার বাজার। আর শুক্রবার জমজমাট হাট। দীর্ঘকাল ধরে নৌকার ওপর চলে আসা এই বাজার বসে ভিমরুলি ছাড়াও আটঘর ও কুড়িয়ানায়। সুজলা-সুফলা-শস্য শ্যামলা বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবিই যেন ফুটে উঠেছে পুরো এলাকা জুড়ে।

 

You may also like

জামিন পেলেন আলোকচিত্রী শহিদুল

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় কারাবন্দী আলোকচিত্রী