নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে নড়াইলের শুক্তগ্রামের পালপাড়া

নবগঙ্গা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে নড়াইলের শুক্তগ্রামের পালপাড়া। ধ্বংস যজ্ঞের মধ্যে পড়ে আছে পালদের মাটির হাড়ি-পাতিল, মাটির তৈজস তৈরীর চাকা। ভিটেমাটি ছাড়া হয়েছে শতাধিক পরিবার। এদিকে, মানিকগঞ্জে কালিগঙ্গা নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু তোলার কারণে ভাংগনের শিকার হয়েছে পৌর এলাকার আন্ধারমানিক গ্রামের বহু বাড়িঘর।

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত নবগঙ্গা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনের দৃশ্য নদীপাড়ের মানুষদের কাছে খুবই চেনা। বর্ষা এলেই খরস্রোতা হয়ে উঠে নবগঙ্গা।সর্বগ্রাসী রূপ নেয় নবগঙ্গার ভাঙ্গন। বসতভিটা, ফসলি জমি, রাস্তা-ঘাটসহ অনেক স্থাপনা এরইমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

বাড়ি-ঘর স্থানান্তরিত করার পর আবারও ভাঙ্গন ঝুঁকিতে এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এলাকাবাসীর অভিযোগ, গত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে নদী ভাঙ্গনের এই ধারা অব্যাহত থাকলেও ভাঙনরোধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পানি উন্নয়ন বোডের কর্মকর্তা ও সংসদ সদ্য জানালেন, ভাঙন রোধে দ্রত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে, সেতু কিংবা যে কোন স্থাপনার এক কিলোমিটার এলাকার মধ্যে নদী থেকে বালু তোলার কোন বিধান নেই। এরপরও মানিকগঞ্জের কালিগঙ্গা নদীর বেউথা সেতুর কাছে ড্রেজার দিয়ে নিয়মিত তোলা হচ্ছে বালু। এতে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে নদীর কুল ভেঙ্গে যাচ্ছে। ভেঙ্গে গেছে পৌর এলাকার আন্ধারমানিক, জয়নগর ও নয়াকান্দি গ্রামের ১০/১২টি বাড়িঘর, দোকানপাট, গাছপালাসহ অন্যান্য স্থাপনা। এখন হুমকির মুখে পড়েছে কালিগঙ্গার ওপরের বেউথা সেতুটি।

একমাত্র ড্রেজারে মাটি কাটার কারণে আন্ধারমানিক এলাকার হিন্দুপাড়ার বহু বসতবাড়ি ভেঙ্গে গেছে। ভাংগনের মুখে পড়েছে পুরো হিন্দু পাড়াটি। পৌর মেয়র বলছেন জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি তুলে ধরা হলেও কোন প্রতিকার হয়নি। আর জেলা প্রশাসক জানালেন, ড্রেজার বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার কথা। নবগঙ্গা ও কালীগঙ্গা নদীর ভাঙনরোধে দ্রুব ব্যবস্থা নেয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের।

You may also like

সিনহার দুর্নীতির তদন্ত প্রশ্নে বিব্রত দুদক চেয়ারম্যান

দুর্ণীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, সুনির্দিষ্ট