বাদামের বাম্পার ফলন যমুনার চরাঞ্চলে

এবার বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে টাঙ্গাইলে যমুনার চরাঞ্চলে। কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি। তারা ভালোবেসে এর নাম দিয়েছেন ‘গুপ্তধন’। তবে কৃষি অফিসের সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে কৃষকদের। বর্ষায় দুকূল ভাসিয়ে নেয়া যমুনা শুষ্ক মৌসুমে ধু ধু বালুচর। এ চরই অবহেলিত মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম অবলম্বন। রাক্ষুসে যমুনার ভাঙা- গড়ার যুদ্ধে টিকে থাকা মানুষ চরে আবাদ করেছেন চীনা বাদাম। ফলনও হয়েছে ভাল। কৃষি অফিসের সহযোগিতা পেলে ফলন আরো ভালো হতো বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

বাজারে বাদামের দামও বেশ ভাল। প্রতি মন বাদাম বিক্রি হচ্ছে দুহাজার টাকা থেকে ২২শ টাকায়। প্রতি বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করতে কৃষকের খরচ হয়েছে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। প্রতি বিঘায় বাদাম উৎপাদন হচ্ছে ১০ থেকে ১২ মন। তবে সরকারিভাবে বাদাম কেনার উদ্যোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে ফড়িয়া ও দালালদের কাছে বিক্রি করতে হয় কৃষকদের। এদিকে, কৃষি অফিসের সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তা। তাদের সার্বক্ষণিক তদারকির কারণে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি বাদাম উৎপাদন হয়েছে বলে দাবি তার। টাঙ্গাইলে এবার বাদাম চাষের লক্ষমাত্রা দুই হাজার দুশ ৭২ হেক্টর জমিতে।

You may also like

ঢাকা টেস্টে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে ঢাকা টেস্টে ব্যাটিং করছে