তিস্তা পারের জমিগুলো সেজেছে ভূট্টার গালিচায়

খাঁ খাঁ তিস্তা পারের জমিগুলো সেজেছে ভূট্টার গালিচায়। সেচসহ সঠিক পরিচর্যায় অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর বেশি জমিতে চাষ হয়েছে এই ফসল। কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের সৌরবিদ্যুতের কল্যানে কৃষকরা দেখছেন আশার আলো। চরের মাঠ জুড়ে বাতাসে দোল খাচ্ছে ভুট্টার সবুজ পাতা। আর এর সাথে মিশে আছে ঘাম ঝরা-রোদে পোড়া কৃষকের হাসি।

ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমাতে আর ফসলের নীবিড়তা বারাতে তিস্তায় ব্যারেজ নির্মাণ শেষ হয় ১৯৯৮ সালে। সেই থেকে উত্তরের কৃষকরা এর সুবিধা পেলেও যে মাটিতে ব্যারেজ তারাই বঞ্চিত এর সুফল থেকে। রাশি-রাশি বালুময় প্রান্তরে ডিজেল মেশিন চালিয়ে কোনরকমে চাষাবাদ করতেন কৃষকরা। কিন্তু বিএডিসি’র এই সেচ প্রকল্প পাল্টে দিয়েছে তাদের সব ধারনা।

লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার সানিয়াযান নদীতে এলজিইডির রাবার ড্যাম্পকে কাজে লাগিয়ে ইউনিয়নের ১শ’ হেক্টর অতিরিক্ত জমি চাষের আওতায় আনা হয়েছে। নদীর পানিতে সেচ দেয়ায় আশাতিত ফলন হয়েছে ভূট্টার। গেল বছর উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ৪০টি সোলার পাম্প দিয়ে পরিক্ষামূলক সেচ দেয়ার প্রকল্প হাতে নেয় বিএডিসি । এবছর প্রকল্পে যুক্ত করা হয় ১৫টি সোলার ও ১০টি বিদ্যুৎচালিত এলএলপি।

৬০ কিলোমিটার ভূগর্ভস- সেচ খালের মাধ্যমে প্রকল্পের ১৮শ’ হেক্টরে সেচ দেয়ার লক্ষ্য থাকলেও চলতি বছর ৮শ’ হেক্টরে সেচ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। স্বল্প সেচে ফসলের নীবিড়তা বেড়েছে বলে মনে করেন এই কৃষিবিদ। সৌর সেচ প্রকল্প চালু হওয়ায় এলাকার একফসলী জমি পরিণত হয়েছে তিন ফসলে।

 

You may also like

যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমণের রেকর্ড

করোনা মহামারিতে বিশ্বে গেলো কয়েকঘন্টায় আরো দেড় হাজার