পদ্মার তীব্র ভাঙনের কবলে মুন্সীগঞ্জের ১০টি গ্রাম

পদ্মার তীব্র ভাঙনের কবলে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের ১০টি গ্রাম। নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে ফসলি জমি ও বসত ভিটাসহ বিভিন্ন স্থাপনা। অবৈধ ড্রেজিং বন্ধের পাশাপাশি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা না হলে বর্ষায় পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হওয়ার শঙ্কায় পদ্মা পাড়ের মানুষ। করোনা আতঙ্কের মধ্যে নদী ভাঙনের আরেক আতঙ্কে মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীর পদ্মাপাড়ের মানুষ। কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করছে খেটে খাওয়া মানুষেরা। নদী গিলছে মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনা। ভাঙন ঠেকাতে নিজেদের টাকায় অস্থায়ী বাঁধ দেয়ার চেষ্টা করছেন স্থানীয়রা। কোথাও বাঁধ নিমার্ণের নামে চাঁদা তুলে নিজেদের পকেট ভরছে জনপ্রতিনিধিরা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ একটি চক্র পদ্মা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখায় ভাঙনের মুখে পড়েছে তারা। অথচ ভাঙন ঠেকাতে কোন উদ্যোগ নেই প্রশাসনের। পাশে নেই জনপ্রতিনিধিরাও। বর্ষার কথা ভেবে আতঙ্ক বেড়েছে আরো। লৌহজং উপজেলা ছনবাড়ী থেকে টঙ্গিবাড়ী উপজেলার দিঘিরপার পর্যন্ত বাঁধ নির্মাণের জন্য চারশ ৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদে পাশ হয়ে আছে একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায়। নদী ভাঙে নিঃস্ব হয় মানুষ। বাধ নির্মাণে সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকে হতভাগ্যরা।

You may also like

স্ট্যামফোর্ডের শিক্ষার্থী সিফাতের জামিন

পুলিশের মামলায় জামিন পেয়েছেন স্ট্যামফোর্ডের শিক্ষার্থী সাহেদুল ইসলাম