ভয়াবহ হচ্ছে উত্তরের বন্যা পরিস্থিতি

ভয়াবহ হচ্ছে উত্তরের বন্যা পরিস্থিতি। ফুঁসছে নদী। ডুবছে বাড়িঘর ফসলি জমি। তলিয়ে যাচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। তিস্তা ব্যারেজে জারি করা হয়েছে রেড এলার্ট। হু হু করে বাড়ছে দেশের বেশিরভাগ নদ-নদীর পানি। কয়েকদিনের ব্যবধানে ফুলে ফেপে উঠেছে নদীগুলো। লালমনিরহাটে তিস্তা ও ধরলাসহ ১০টি নদীর পানি বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। প্লাবিত হয়েছে নতুন নতুন এলাকা। জেলার পাঁচ উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের একশ’ ২০টি গ্রাম বন্যা কবলিত। পানিবন্দি প্রায় এক লাখ মানুষ। চরম দুর্ভোগে তারা। সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি আবারও বিপদসীমার ওপরে। জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্হিতির অবনতি হয়েছে। টানা ২২ দিন ধরে পানিবন্দি অনেক পরিবার। তার ওপর ভাঙনে দিশেহারা নদীপাড়ের মানুষ। দুর্বিসহ দিন কাটছে তাদের। ভারি বর্ষণ আর উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে ফের পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ৯ উপজেলার ৫৬টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি। ভেঙে পড়েছে গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ। সদর উপজেলার সারডোবে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে পাঁচ গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। জেলার ১৯টি পয়েন্টে নদী ভাঙন চলছে।

জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে। যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বেড়ে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় বন্যার সাথে লড়ছে দুর্গতরা।  নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার অসংখ্য বসতবাড়ি ও ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হাজারও পরিবার। গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, যমুনা, ঘাঘট ও করতোয়ার পানি বাড়ছে হু হু করে। প্রায় ৭০ হাজার মানুষ পানিবন্দি। নেত্রকোণার সকল নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। কলমাকান্দা ও বারহাট্টা উপজেলার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। নাটোরে আত্রাই নদীর পানিও বিপদসীমার ওপরে। সুনামগঞ্জে দ্বিতীয় দফা বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। বেড়েই চলেছে পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ।

 

You may also like

স্ট্যামফোর্ডের শিক্ষার্থী সিফাতের জামিন

পুলিশের মামলায় জামিন পেয়েছেন স্ট্যামফোর্ডের শিক্ষার্থী সাহেদুল ইসলাম