বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় বন্যার পানি বাড়ছেই

তেমন উন্নতি নেই সিরাজগঞ্জ ও কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতির। এক মাসেরও বেশি সময় পানিবন্দিদের দুর্ভোগ চরমে। ত্রাণের জন্য হাহাকারেও ফল পাচ্ছে না দুর্গতরা। এদিকে, গোপালগঞ্জেও তলিয়ে গেছে নতুন নতুন এলাকা। ভাঙন তীব্র হয়েছে মুন্সিগঞ্জের পদ্মা ও ধলেশ্বরীতে।

চতুর্থ দফা পানি বাড়ার পর আরো বিপাকে সিরাজগঞ্জের বন্যার্তরা। যমুনার পানি কিছুটা কমলেও জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। এতে প্রায় দেড়মাস ধরে খাদ্য, জ্বালানি ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে ভুগছে সিরাজগঞ্জের সাতটি উপজেলার ৬৪ ইউনিয়নের পাঁচ লাখ ৩৭ হাজারের বেশি মানুষ। পয়ঃনিস্কাশন সমস্যায় দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে তাদের জীবন।

দুর্ভোগে কাঁতরাচ্ছে কুড়িগ্রামের বন্যার্তরা। একমাসের বেশি পানিবন্দি প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ । দফায় দফায় বন্যায় খাদ্য সংকটের সাথে এখন ছড়িয়ে পড়েছে পানিবাহিত নানা রোগ বিমারি। এর ওপর ভাঙনে দিশেহারা শতশত পরিবার। এদিকে, গোপালগঞ্জ সদর, কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর উপজেলার নতুন নতুন এলাকা তলিয়ে গেছে। পানিবন্দী হাজারো পরিবার । অন্যদিকে, মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ধলেশ্বরী ও পদ্মার ভাঙনে বিলিন হচ্ছে বসত ভিটা ও ফসলি জমি। হুমকির মুখে ইসলামপুর কামিল মাদ্রাসাসহ শতাধিক বাড়ি।

You may also like

২৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার ২০২০

সকাল ৮:৩০ : অনুষ্ঠান ‘দিন প্রতিদিন’। বেলা ১১:০২