তীব্র হচ্ছে নদী ভাঙন

দেশের অনেক জায়গায় বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হলেও এখনো কমেনি বানভাসীদের কষ্ট। খাবার, পশুখাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটসহ নানারকম সমস্যায় তারা। তার ওপর দেখা দিয়েছে পানিবাহিত নানা রোগ। কুড়িগ্রামে বন্যার পানি নেমে গেলেও দুর্ভোগ কোনভাবেই পিছু ছাড়ছে না চরাঞ্চলের মানুষের। বন্যা পরবর্তী সময়ে চরাঞ্চলগুলোতে কাজের পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে দিন পার করছেন অনেকে। অর্থের অভাবে মেরামত করতে পারছেন না ক্ষতিগ্রস্ত ঘর-বাড়িও।

বন্যা কবলিত এলাকার আমন চারা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় জমিতে রোপা আমন লাগাতে পারছেন না বেশির ভাগ কৃষক। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথেই দেখা দিয়েছে নদ-নদীর ভাঙ্গনও। গাজীপুরে নদ-নদীর পানি বিপদ সীমার নীচে অবস্থান করছে। সেখানে বন্যার পানি কমতে থাকলেও বাড়ছে পানিবাহিত নানা রোগ।এদিকে, টাঙ্গাইলে যমুনা, ধলেশ্বরী ও ঝিনাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার প্রধান তিনটি নদীর পানি নতুন করে বাড়ায় তৃতীয় দফায় বন্যা মোকাবেলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেলাবাসি।

You may also like

সাগরে নিম্নচাপ : আগামীকালও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা

নিম্নচাপের প্রভাবে শনিবারও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে,