ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া শিশু কন্যা মারিয়া এখন অনেকটা স্বাভাবিক

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় চার খুনের ঘটনায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া চার মাস বয়সী শিশু কন্যা মারিয়া খাতুন এখন অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় হেলাতলা ইউপি সদস্যের জিম্মায় থাকা মারিয়ার সুন্দর ভবিষ্যত নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চান তিনি।

সদ্য এতিম হওয়া ফুটফুটে শিশু মারিয়া এখন দিনের অনেকটা সময় স্বাভাবিকভাবেই কাটাচ্ছে; খাচ্ছে, খেলছে। কিন্তু রাতের বেলায় হয়তো মায়ের বুক খোঁজে সে। তাই তখন তার কান্না আর মুখের অভিব্যক্তিতে নিজেও ব্যথিত হন শিশুটির জিম্মাদার সাতক্ষীরার কলারোয়া ইউনিয়নের মহিলা ইউপি সদস্য নাসিমা খাতুন। আবেগের বশবর্তী না হয়ে বুঝে-শুনে শিশুটির সুন্দর ভবিষ্যত নিশ্চিতে অভিভাবক ঠিক করার আহ্বান জানান তিনি।

দাদী, ফুফু ও স্বজনরা চান মারিয়াকে ফিরিয়ে নিতে। যাচাই-বাছাই করে শিশুটির জন্য উপযুক্ত অভিভাবক নির্ধারণ করতে চায় জেলা প্রশাসন। গত ১৫ অক্টোবর সকালে মারিয়াকে পাওয়া যায়, তার বাবা, মা, ভাই, বোনের রক্তাক্ত লাশের পাশে। তার বাবা মৎস্য হ্যাচারী মালিক শাহিনুর, স্ত্রী সাবিনা খাতুন, ছেলে সিয়াম হোসেন মাহী ও মেয়ে তাসনিম সুলতানাকে জবাই করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এরই মধ্যে শাহিনুরের বেকার ভাই রায়হানুল দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে মোট চারজনকে। বাংলাভিশন নিউজডেস্ক।

You may also like

গোল্ডেন মনিরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি এলাকাবাসির

গোল্ডেন মনিরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও তার বাবার নামে