রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের দু’বছর আজ

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের দুই বছর আজ। এদিকে, দ্বিতীয় দফাতেও প্রত্যাবাসন সম্ভব না হওয়ার জন্য সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা ও কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতার অভাব রয়েছে বলে মনে করেন সাবেক দুই প্রত্যাবাসন সহকারি। অন্যদিকে, সুশীল সমাজ মনে করছে, এনজিওগুলো রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরে যেতে বাধা দিচ্ছে। কক্সবাজার থেকে আরিফুল হকের   বিভিন্ন সময় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার থেকে বাচতে দেশ ছেড়েছে রোহিঙ্গারা। যাদের একমাত্র গন্তব্য হয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে যতবারই রোহিঙ্গারা এসেছে, ততবারই কমবেশি তাদেরকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো গেছে। কিন্তু ২০১৭ সালের আগস্টে যে সাত লাখ রোহিঙ্গা এখানে এসেছে তাদের একজনও রাখাইনে ফেরত যায়নি। নতুন পুরোনো মিলিয়ে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার চাপে এখন বিপর্যস্ত কক্সবাজার।

দুই দফায় তারিখ ঠিক করেও রোগিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে না পারার কারন কি? এমন প্রশ্ন ছিল ১৯৯২ সালে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জড়িত দুই ব্যাক্তির কাছে। প্রত্যাবাসন সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী এ দুজন বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন করেননি, যে কারনে রোহিঙ্গারা দেশে ফিরতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে কাজ করছে অন্তত দেড়শো আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় এনজিও। যেগুলোর উচ্চ বেতনের কর্মকর্তারা নিজেদের স্বার্থে রোহিঙ্গাদের ফিরতে বাধা দিচ্ছে বলে মনে করছে কক্সবাজারের সুধী সমাজ। রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কোনো এনজিওকর্মী দেশবিরোধী কাজে জড়িত কিনা, তা মনিটরিংয়ের দায়িত্ব সরকারি সংস্থাগুলোর, বলছেন কক্সবাজার এনজিও ফোরামের কো- চেয়ারম্যানের। তবে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলতে রাজী হননি শরণার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসন কমিশনার। আপস( সাদা শার্ট, ফোনে কথা বলার ফুটেজ)

 

You may also like

মওলানা ভাসানীর ৪৩ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পেঁয়াজসহ