সোলাইমানির জানাজায় তেহরান পরিণত হয় জনসমুদ্রে

মার্কিন হামলায় নিহত ইরানের শীর্ষ কমান্ডার কাসেম সোলাইমানির জানাজায় রাজধানী তেহরান পরিণত হয় জনসমুদ্রে। ইরানি নেতাদের অংশগ্রহণে জানাজায় ঢল নামে লাখো মানুষে। এদিকে, ইরাক তার ভূখণ্ড থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার চাইলে দেশটির বিরুদ্ধে কঠোর অবরোধ আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইরানের আহভাজ ও মাশহাদ শহর হয়ে সোমবার কমাণ্ডার সোলাইমানির মৃতদেহ রাজধানী তেহরানে পৌঁছালে সেখানেও ঢল নামে লাখো জনতার। সোলাইমানির জানাজায় অংশ নেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। জানাজায় এক পর্যায়ে কেঁদে ফেলেন তারা। সোলাইমানি হত্যার ঘটনায় ক্ষুদ্ধ, শোকার্ত ইরানিরা আবারো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়ার প্রতিজ্ঞা করেন। শ্লোগান দেন যুক্তরাষ্ট্রের পতনের। যুক্তরাষ্ট্রের দিকে অন্ধকার দিন ঘনিয়ে আসছে বলে হুমকি দিয়েছেন সোলাইমানির কন্যা জেনাব সোলাইমানি।

জীবিত সোলাইমানির চেয়ে মৃত সোলাইমানি অনেক বেশী ভয়ঙ্কর উল্লেখ করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিনীদের হঠানোর প্রতিশ্রুতি দেন রেভ্যুলেশনারি গার্ডের নয়া প্রধান। এরইমধ্যে, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনাদের মৃতদেহ পাঠানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ। এদিকে, ইরাকি পার্লামেন্টে বিদেশী সেনা প্রত্যাহারের পক্ষে একটি প্রস্তাব পাস হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। জানান, অত্যাধুনিক বিমান ঘাঁটি নির্মাণে ব্যয় হওয়া শতকোটি ডলার ক্ষতিপূরণ না দেয়া পর্যন্ত ইরাক ছাড়বে না মার্কিন সেনারা।

You may also like

তাড়ানো হবে এক কোটি অবৈধ বাংলাদেশিকে: দিলিপ ঘোষ

অন্তত এক কোটি বাংলাদেশি ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করছে