লেবাননের বৈরুতে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১৩৫ জন

লেবাননের বৈরুত বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে একশ’ ৩৫ জনের দাঁড়িয়েছে। আহত পাঁচ হাজারের বেশি। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বন্দরের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গৃহবন্দি করে নজরদারিতে রেখেছে সেনা সদস্যরা। বিস্ফোরণের পর একদিন পার হলেও খোঁজ নেই অনেক হতভাগ্য মানুষের। বিস্ফোরণস্থলের আশপাশে জারি আছে ধ্বংসস্তুপ সরানোর তৎপরতা। সম্ভাব্য মৃতদেহের খোঁজে চলছে তল্লাশি। তবে, সময় যত গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে জনরোষ। খামখেয়ালিপনায় এতবড় দুর্ঘটনার জন্য সরকার, বিচার বিভাগ ও বন্দর কর্তৃপক্ষে মধ্যে চলছে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ। সামরিক ও বিচারবিভাগের সমন্বয়ে গঠিত তদন্ত কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

২০১৩ সালে দুই হাজার সাতশ’ টনের বেশি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বৈরুত বন্দরে আসে। নথি পর্যালোচনা করে একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিপজ্জনক এই মজুদ নিরাপদে সরানো, বিক্রি করা অথবা সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের জন্য ২০১৪ থেকে ১৭ সালের ভেতর মন্ত্রণালয়ে ছয়টি চিঠি দিয়েছে বৈরুতের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দুই সপ্তাহের জরুরি অবস্থা জারির পর শহরের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে সেনাবাহিনী। দুর্যোগ মোকাবেলায় লেবাননকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছে জাতিসংঘ, বিশ্ব ব্যাংক ও জার্মানি। সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য আজ বৈরুত যাচ্ছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ।

You may also like

২৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার ২০২০

সকাল ৮:৩০ : অনুষ্ঠান ‘দিন প্রতিদিন’। বেলা ১১:০২