বাংলাদেশকে দিল্লীর চোখ দিয়ে দেখে না যুক্তরাষ্ট্র: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান, ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নতি এবং স্থিতিশীলতার কারণে বাংলাদেশকে এই অঞ্চলের মধ্যমণি মনে করে যুক্তরাষ্ট্র- বলেছেন সফরত যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন-ই বিগান। তিনি জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আঞ্চলিক শক্তিগুলোকে আরো সক্রিয় হতে হবে। বঙ্গবন্ধুর খুনী রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত দেয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের দাবিটিও পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে দিল্লীর চোখ দিয়ে দেখে না যুক্তরাষ্ট্র। পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেনের সাথে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এক ঘণ্টার ওপর বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন-ই বিগান।  পরে যৌথ ব্রিফিং করেন তারা। রোহিঙ্গা, বঙ্গবন্ধুর খুনী রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত, বিনিয়োগসহ বেশ কিছু বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সবগুলো ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি স্টিফেন বিগান।

মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয় যুক্তরাষ্ট্র। বঙ্গবন্ধুর খুনীকে ফেরতের বিষয়টি তাদের বিচার বিভাগ গুরুত্ব দিচ্ছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে মিয়ানমারকে বশে আনার চেষ্টা চলছে।  বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বহুদিনের। সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক আরো এগিয়ে নিতে হবে। ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান, ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নতি এবং স্থিতিশীলতার কারণে বাংলাদেশকে এই অঞ্চলের মধ্যমণি মনে করে যুক্তরাষ্ট্র। রোহিঙ্গারা যাতে নিরাপদে ফিরে যেতে পারে, সেজন্য আঞ্চলিক শক্তিগুলোকে আরো সক্রিয় হতে হবে। বঙ্গবন্ধুর খুনীকে ফেরত দিতে বাংলাদেশের দাবিটিও পুনর্বিবেচনার করছে আমাদের অ্যাটর্নি জেনারের অফিস। বাংলাদেশের অবকাঠামো, কৃষি, তথ্য-প্রযুক্তি, সমুদ্র অর্থনীতিসহ নানা খাতে মার্কিন বিনিয়োগের আহবান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের ভিসা সংক্রান্ত কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে, যেগুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে।

You may also like

পদ্মা সেতুর ৫ হাজার একশ মিটার দৃশ্যমান

মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর ৩৪ তম স্প্যান