নয় দিনের রিমান্ডে জি কে শামীম

গণপূর্ত অধিদপ্তরের আওতায় প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজ করছে জি কে শামিমের প্রতিষ্ঠান। কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে কাজ পাওয়ার কথা এরইমধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে স্বীকারও করেছেন তিনি। তবে, ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গণপূর্তের বর্তমান ও সাবেক প্রধান প্রকৌশলী। তাদের দাবি সব কাজই ই-টেন্ডারের মাধ্যমে দেয়া হয়েছে। এখানে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট, সচিবালয় বিল্ডিং ও এনবিআরভবনসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পের কাজ করছে জি কে শামিমের প্রতিষ্ঠান জিকেবি অ্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড। টাকার অঙ্কে এসব প্রকল্পের ব্যয় প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা। এসব কাজ পাওয়ার পেছনে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি এরই মধ্যে স্বীকার করেছেন জিকে শামিম। অর্থ লেনদেনের অভিযোগ আছে গণপূর্তের অবসরে যাওয়া কয়েকজন প্রকৌশলী, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী ও বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাহী প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে। তবে, কাজ দেয়ার ক্ষেত্রে অনিয়মের বিষয়টি সঠিক নয় বলে দাবি বর্তমান প্রধান প্রকৌশলীর।

সদ্য অবসরে যাওয়া সাবেক প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম দাবি করেন, ঘুষ-বাণিজ্যের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। গণপূর্তের সাবেক ও বর্তমান প্রকৌশলীরা বলছেন, সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে টেন্ডার ড্রপের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা হয়। ফলে একই প্রতিষ্ঠান অনেক কাজ পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে গণপূর্তের তেমন কিছু করার নেই বলেও মন্তব্য তাদের।

রিশান নাসরুল্লাহ
বাংলাভিশন, ঢাকা

You may also like

বোর্ড-ক্রিকেটার দ্বন্দ্ব মেটাতে আলোচনার পথ খোলা: বিসিবি

বোর্ড-ক্রিকেটার দ্বন্দ্ব মেটাতে আলোচনার পথ খোলা রেখেছে বিসিবি।