জনি হত্যা মামলায় এস আই জাহিদসহ তিনজনের যাবজ্জীবন

রাজধানীর পল্লবীর ইশতিয়াক হোসেন জনি হত্যার ঘটনায় বরখাস্তকৃত এসআই জাহিদসহ তিন পুলিশ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও পুলিশের দুই সোর্সকে ৭ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন ও প্রতিকার আইনে দেশের ইতিহাসে প্রথম যুগান্তকারি রায় বলে মনে করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। আইনটিকে পুলিশের জন্য কালো আইন বলে অভিযোগ করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।

২০১৪ সালের আট ফেব্রুয়ারি পল্লবীতে এই ডিজি পার্টিতেই গাড়ি চালক ইশতিয়াক হোসেন জনির সঙ্গে ঝগড়া হয় পুলিশের সোর্স সুমনের। এরিরেষ ধরে জনি, রাজন, টিটু ও ফয়সালকে থানায় ধরে নিয়ে যায় তৎকালীন পল্লবী থানার এসআই জাহিদ, এসআই রাশিদুল, এ এসআই কামরুজ্জামান মিন্টু ও তাদের সোর্স সুমন এবং রাসেল। যা সিসি ক্যামেরার ফুটেজেও প্রমানিত। থানায় নেয়ার পর চারজনকেই নির্যাতন করা হয়। যা তাদের হাঁটা দেখলেই বোঝা যায়। পরের দিন জনি অসুস্থ হয়ে পড়লে থানার গাড়িতে করে নেয়া হয় হাসপাতালে। পরে জনির মৃত্যু হলে তার পরিবারকে হার্ট এ্যাটাকে মারা যাওয়ার কথা বলে পুলিশ।

এই ঘটনায় থানায় মামলা না নিলে ২০১৪ সালের আগষ্ট মাসে আদালতে বরখাস্তকৃত এসআই জাহিদ, এসআই রাশেদ ও এএসআই মিন্টুসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে জনির ছোট ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি। ছয় বছর পর মামলার রায়ে তৎকালীন পল্লবী থানার এসআই জাহিদ, এসআই রাশিদুল, এ এসআই কামরুজ্জামান মিন্টুকে যাবজ্জীবন সাজা দেয় আদালত। তাদের সোর্স সুমন এবং রাসেলকে দেয়া হয় সাত বছর করে সাজা। আসামিপক্ষের আইনজীবী রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা বলেন। রায়ে সন্তুষ্টের কথা জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা। দন্ডিতদের মধ্যে বরখাস্তকৃত এসআই কামরুজ্জামান মিন্টু ও সোর্স রাসেল পলাতক রয়েছে। জিয়া খান, বাংলাভিশন, ঢাকা।

You may also like

২৪ অক্টোবর, শনিবার ২০২০

সকাল ৮:৩০ : অনুষ্ঠান ‘দিন প্রতিদিন’। সকাল ১০:০৫