শিরোনাম

দেশি-বিদেশি পর্যটকদের পদচারণে মুখরিত হয়ে উঠেছে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের বেলাভূমি ‘সাগরকন্যা’ খ্যাত কুয়াকাটা

By নিউজ ডেস্ক

August 24, 2018

ঈদুল আজহার ছুটিতে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের পদচারণে মুখরিত হয়ে উঠেছে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের বেলাভূমি ‘সাগরকন্যা’ খ্যাত কুয়াকাটা। বাড়িফেরা মানুষ ও স্থানীয়রাও ঘুরতে এসেছেন পর্যটন স্পটগুলোতে।

আর এ পর্যটকদের ভিড়ে কুয়াকাটার পর্যটন শিল্প যেন ফিরে পেয়েছে নতুন করে প্রাণচঞ্চলতা। বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

দেখা গেছে, ঈদের এই ছুটিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভ্রমণপিপাসু নানা বয়সের হাজার হাজার মানুষ সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটার নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে এসেছেন। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে, কেউবা নিজের পছন্দের মানুষকে নিয়ে দেখতে এসেছেন সাগরকন্যা কুয়াকাটা।

পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়ে কুয়াকাটা খাবার হোটেলসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেনাবেচার ধুম পড়েছে। অধিকাংশ হোটেল, মোটেলের রুম অগ্রিম বুকিং হয়ে যাওয়ায় সদ্য কুয়াকাটায় ভ্রমণে আসা পর্যটকদের ভালো রুম পেতে কষ্ট হলেও কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সব দুঃখ ভুলিয়ে দিয়েছে।

কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টে শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধবিহার, মিশ্রিপাড়া সিমা বৌদ্ধ বিহার, জাতীয় উদ্যান, লেম্বুর চর, শুটকি পল্লি, রাখাইন মহিলা মার্কেট, গঙ্গামতি, কাউয়ারচর, লাল কাকড়ার চর, ইলিশ পার্কসহ পর্যটন স্পটগুলো এখন পর্যটকদের ভিড়ে মুখরিত হয়ে আছে। আর এসব পর্যটকের নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তায় কাজ করছে কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ।

ময়মনসিংহ থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা মো. কিবরিয়া বলেন, ‘কুয়াকাটার ভাঙন রক্ষায় সরকারের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সৈকতে জেগে ওঠা পুরনো স্থাপনার ভগ্নাংশ অপসারণ খুবই জরুরি। সৈকতে নেমে গোসল করতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়েছে। গোসল করতে গিয়ে কয়েকজনের পা কেটে গেছে।’

আরেক পর্যটক রহমান মিয়া জানান, কুয়াকাটা আসলেই একটা দর্শনীয় স্থান। কিন্তু পাখিমারা থেকে মহিপুর পর্যন্ত সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ।

আর কুয়াকাটা পর্যটক পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম জানান, সৈকতে পর্যটকদের নির্বিঘ্নে চলাফেরা এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। এ ছাড়া পর্যটকদের নিরাপত্তায় কুয়াকাটার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।