নির্বাচনের পরও যেন কমিশনাররা দেশে থাকতে পারেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা

নির্বাচনের পরও যেন কমিশনাররা দেশে থাকতে পারেন, সেভাবেই জাতীয় নির্বাচন করার তাগিদ দিয়েছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে বৈঠকে তারা এ তাগিদ দেন। বৈঠক শেষে ঐক্যফ্রন্ট নেতা আ স ম আব্দুর রব জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ৭ নভেম্বরের সংলাপের সিদ্ধান্ত না জেনে কমিশন যাতে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা না করে, সে বিষয়ে জোর দাবি জানানো হয়েছে। সোমবার দুপুরের পর নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে যান জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল। নির্বাচন কমিশনের কাছে চারটি দাবি নিয়ে। প্রথমতঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ৭ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় সংলাপের সিদ্ধান্ত না জেনে কমিশন যাতে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা না করে। সারাদেশে পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তা যেন নিশ্চিত করা হয়। বিতর্কিত ইভিএম যেন নির্বাচনে ব্যবহৃত না হয় এবং আটক করার ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনীকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে মোতায়েন। জনমতের কথা বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন যাতে একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করে সে বিষয়ে কমিশনকে চাপ দেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা।বৈঠক শেষে কমিশন সচিব সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনে পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তবে, তফসিল ঘোষনার তারিখ, ইভিএম বা সেনা মোতায়েনের বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে।ঐক্যফ্রন্টের দাবির প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জাতীয় নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্র থেকেই পোলিং এজেন্ট সাক্ষরিত ভোটের ফল প্রকাশ করা হবে।

You may also like

মালিবাগ কাঁচাবাজারে আগুন, ক্ষতিগ্রস্ত দুই শতাধিক দোকান

রাজধানীর মালিবাগ কাঁচাবাজারে আগুনে প্রায় দুই’শ দোকান পুড়ে