চট্টগ্রামে তীব্র গ্যাস সংকট, চলছে কারিগরি ত্র“টি সারানোর চেষ্টা

কারিগরি ত্রুটির কারণে মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনাল থেকে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। তিনটি বিদ্যুত কারখানা ও একটি সার কারখানা বন্ধ করেও গ্যাস স্টেশন ও বাসা-বাড়িতে নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ করতে না পারায় লোকজনের দূর্ভোগ চরমে উঠেছে। ত্রুটি সারাতে ১০দিন সময় লাগবে জানিয়েছে কিজিডিসিএল।

চট্টগ্রামে গ্যাসের চাহিদা ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। কিজিডিসিএল এখন এই চাহিদার অর্ধেকের চাইতেও কম ২২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ পাচ্ছে। ফলে গ্যাসের সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। আগে যেখানে মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনাল থেকে ৩৩০মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ পেত, সেখানে শনিবার সন্ধ্যা থেকে কোন গ্যাস সরবরাহ পাচ্ছে না।

ভাসমান টার্মিনাল ও সমুদ্র তলদেশের পাইপলাইনের মধ্যবর্তী সংযোগস্থলের হাইড্রোলিক ভালভটি অকার্যকর হয়ে যাওয়ায় পাইপলাইনে গ্যাস আসছে না। ফলে তিনটি বিদ্যুত কেন্দ্র ও চিটাগং ইউরিয়া সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রেখেও পরিস্থিতি সামলাতে পারছে না কিজিডিসিএল। শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন, বাসাবাড়িসহ সব শ্রেণির গ্রাহক নতুন করে গ্যাস-সংকটে পড়েছে।

গত ১৮ আগস্ট থেকে পাইপলাইনে এলএনজির বাণিজ্যিক সরবরাহ শুরু হয়। অকার্যকর হয়ে যাওয়া হাইড্রোলিক বাল্বটি ৪০ মিটার পানির তলদেশের পাইপলাইনে স্থাপিত। বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ছাড়া এটির মেরামত সম্ভব নয়। তবুও সহসা ত্রুটি সারানোর ব্যাপারে আশাবাদী কর্তৃপক্ষ। এ সমস্যার দ্রুত সমাধান চান এ অঞ্চলের মানুষ।

 

You may also like

প্রধানমন্ত্রীত্ব নয়,জনসেবাই আমার মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর পদ মূল্যবান নয়, এ পদে থেকে দেশের