আশুলিয়ায় পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষ, আহত ২০

সদ্য ঘোষিত মজুরি কাঠামো বৈষম্য নিয়ে শ্রমিক আন্দোলনের পঞ্চমদিনে আশুলিয়ায় শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া, টিয়ারশেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশ ও শ্রমিকসহ আহত হয়েছে অন্তত ২০ জন। এদিকে, মিরপুরের কালশী ও শেওড়াপাড়াতেও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে শ্রমিকরা।

পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের পঞ্চম দিনে উত্তাপ থামেনি। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে টঙ্গি-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের আশুলিয়ার বেরন এলাকায় শারমিন গ্রুপের শ্রমিকরা কর্মবিরতি দিয়ে সড়কে বেরিয়ে পড়ে। এসময় তারা আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়।

পরে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে শ্রমিক ও পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়।

পরে বিজিবি ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যদের উপস্থিতিতে এক ঘন্টা পর টঙ্গি-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। এদিকে, শ্রমিক বিক্ষোভের ঘটনায় আশুলিয়ার কাঠগড়া ও জামগড়াসহ বেশ কিছু এলাকার প্রায় ১০টি কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন গুর্বত্বপূর্ণ জায়গায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় বিক্ষৃব্ধ শ্রমিকরা রাস্তা অবরোধের চেষ্টা করে। তবে কিছুক্ষণ আন্দোলনের পর প্রশাসনের আশ্বাসে তারা সড়ক থেকে সরে যায়। কালশীতেও রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করে পোশাক শ্রমিকরা। পরে মালিকপক্ষের আশ্বাসে রাস্তা থেকে সড়ে যায় তারা।

জিয়া খান, বাংলাভিশন, ঢাকা।

You may also like

বাবা-মার পাশে কবি আল মাহমুদের দাফন

ব্রাক্ষণবাড়িয়া শহরের মৌড়াইলে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে