সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসায় চির বিদায় নিলেন কবি আল মাহমুদ

চলে গেলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ। শুক্রবার রাতে রাজধানীর বেসরকারী একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। শনিবার সকালে বাংলা একাডেমি ও জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানান সর্বস্তরের মানুষ। পরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কবিকে রাষ্ট্রীয় সম্মান ও স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানিয়েছে পরিবার।

আল মাহমুদ। একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্পকার, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক। ১৯৬৩ সালে তাঁর কাব্যগ্রন্থ লোক লোকান্তর সর্বপ্রথম তাকে স্বনামধন্য কবিদের সারিতে জায়গা করে দেয়। ১৯৬৬ সালে কালের কলস ও সোনালি কাবিন কাব্যগ্রন্থগুলো প্রথম সারিতে নিয়ে আসে কবি আল মাহমুদকে। গুনী এই কবি ভুগছিলেন নিউমোনিয়াসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায়। গুরুতর অসুস্থ হয়ে ভর্তি হন রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইবনে সিনা হাসপাতালে। এর একসপ্তাহের মাথায় অনন্তকালের পথে যাত্রা শুরু করেন কবি।

মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন আল মাহমুদ। যুদ্ধের পর, যোগ দেন দৈনিক গণকণ্ঠ পত্রিকায় সম্পাদক হিসেবে । অসামান্য কর্মের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও একুশে পদকসহ অনেক সম্মাননা লাভ করেন তিনি। কবি আল মাহমুদ ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাক্ষনবাড়িয়ায় জন্ম গ্রহণ করেন।

You may also like

ঘূর্ণিঝড়ে পশ্চিমবঙ্গে ৬০ হাজার ঘর-বাড়ির ক্ষতি

বুলবুলের আঘাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১