নুসরাত হত্যাকাণ্ড: সোনাগাজী উপজেলা আ. লীগের সভাপতি ৫ দিনের রিমান্ডে

নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি রুহুল আমিনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। রিমান্ড শেষে আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে দুই আসামি জাবেদ হোসেন ও কামরুন্নাহার মনি। গ্রেফতার করা হয়েছে আরো দুই আসামী ইফতেখার ও এমরানকে।

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি রুহুল আমিনকে আদালতে তোলা হয় শনিবার বিকালে । নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। সন্ধ্যায় ফেনীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শরাফ উদ্দিন আহমেদ পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুক্রবার বিকালে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে পিবিআই। রিমান্ডে থাকা আসামিদের জবানবন্দিতে নুসরাত হত্যায় তার নাম উঠে আসে।

একই সময়ে আদালতে নেয়া হয় রিমান্ডে থাকা দুই আসামি জাবেদ হোসেন ও কামরুন্নাহার মনিকে। নুসরাতকে পুড়িয়ে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে তারা। এদিকে, চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলায় রাঙ্গামাটি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইফতেখারকে। কুমিল্লায় গ্রেফতার হয় আরেকজন। নুসরাতের গায়ে আগুন দেয়ার সময় জাবেদের গায়ে দেয়া বোরকাটি শুক্রবার সকালে সোনাগাজী সরকারি কলেজের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে ডাঙ্গিখাল থেকে উদ্ধার করে পিবিআই।

অন্যদিকে, আসামিদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসহ প্রতিবাদ চলছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়। রাজধানীতে মানববন্ধন করেছে পূজা উদযাপন পরিষদ ও বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদ। বিকালে শাহবাগে ওই অনুষ্ঠানে নারীর নিরাপত্তায় বক্তারা সবাইকে নুসরতের মতো সাহসী হওয়ার আহবান জানান। ফেনীতেও মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

 

You may also like

৩ জুনের টিকেট পেতে কমলাপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

তিন জুনের রেলের টিকেটের জন্য উপচে পড়া ভীড়