সামনে হচ্ছে ডেঙ্গুর চিকিৎসা, পেছনে এডিস মশার চাষ

সামনে হচ্ছে ডেঙ্গুর চিকিৎসা, পেছনে এডিস মশার চাষ- ঠিক এমনটাই মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিত্র। আর এই বৈপরীত্বের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে সেখানেই, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত এখন ওই হাসপাতালেরই ২২ জন ডাক্তার ও নার্স । তারপরও ৫’শ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে প্রায় সাড়ে সাতশ রোগীর।

প্রদীপের নিচে অন্ধকার। প্রবাদটির সত্যতা মেলে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে। বাহিরটা বেশ ছিমছাম গোছানো, তবে হাসপাতালে ঢুকতেই সঙ্গী হতে পারে বেওয়ারিশ কুকুর। জরুরী বিভাগ পার হতেই অতীত হয়ে যাবে হাসপাতালের সামনে ফেলে আসা ছিমছাম চিত্রটি।

পেছনের চিত্র আরো ভয়াবহ। সেখানে গেলেই প্রমান মেলে মাদকসক্তদের উপস্থিতির। হাসপাতালের পেছনে পড়ে রয়েছে ফেনসিডিলের খালি বোতল। একই সঙ্গে মশার প্রজনন কেন্দ্র পরিণত হয়েছে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। হাসপাতালের এসি থেকে পানি পড়ছে উন্মুক্তস্থানে। ড্রেনগুলো যে কবে পরিস্কার করা হয়েছে তা হয়তো ভুলেই গেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুধু কি তাই! হাসপাতালের রিজার্ভ ট্যাংকির মুখটিও অরক্ষিত।

এত প্রতিকূলতার মধ্যেও শতশত রোগীর চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এখানকার ডাক্তারও নার্সরা। তবে নেতিবাচক পরিবেশ ছাড় দেয়নি তাদের, এরই মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ২২ জন ডাক্তার ও নার্স। হাসপাতালের পেছনের নোংরা পরিবেশের কারনেই ডেঙ্গু আতঙ্কে ভুগছেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও ষ্টাফরা। বিষয়টি তে নজর দিতে স্থানীয় কাউন্সিলরের প্রতি আহবান জানান তারা।

তবে কাউন্সিলর বলছেন ভিন্ন কথা। বলছেন- হাসপাতাল পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। এদিকে রোগীর স্বজনদের দাবি, দায়িত্ব যারই হোক তা যেন সুষ্ঠু ভাবে পালন করা হয়। তা না হলে মুগদা মেডিকেল হাসপাতালে রোগী নিয়ে এসে নিজেদেরই রোগী হতে হবে।

সানজিদ আহমেদ
বাংলা ভিশন, ঢাকা।

You may also like

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে দুই জেএসএস কর্মী খুন

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির-এমএন