একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার ১৫ বছর আজ

ভয়াবহ একুশে আগস্টের ১৫ বছর আজ। যে মানবতাবিরোধী-নৃশংসতায় ঘটনাচক্রে প্রাণে বেঁচে যান তখনকার বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা। সেদিনকার ভয়াবহ স্মৃতির তাড়নায় আজও আঁতকে ওঠেন গ্রেনেড হামলায় বেঁচে থাকা অনেকে। ছটফট করেন স্প্লিন্টারের যন্ত্রণায়। দাবি তাদের একটাই- মৃত্যুর আগে দেখে যেতে চান নারকীয় ওই হামলার হোতাদের ফাঁসি। গ্রেনেড হামলার শিকার ও স্বজনদের জন্য বঙ্গবন্ধুকন্যার ঋণ শোধ হবার নয় বলেও মন্তব্য তাদের।

২১শে আগষ্ট ২০০৪। বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলায় মারা যান সাবেক রাষ্ট্রপতি মো: জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভী রহমানসহ ২৪ জন। আহত হন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ শতাধিক মানুষ। গ্রেনেড হামলার শিকার তৎকালীন উত্তর মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাসিমা ফেরদৌসী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই, বিকট শব্দ।

মুহূর্তেই ওলট-পালট হয়ে যায় সব। বাকিটা শুধুই যন্ত্রণা ও কান্নার জীবন। সেদিনের ভয়াবহতার আরেক শিকার তৎকালীন কোতয়ালী থানা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রাসিদা আক্তার রুমা। গ্রেনেডের বিষাক্ত স্প্লিন্টারের যন্ত্রণা এখনো সঙ্গি তার।

গ্রেনেড হামলার শিকার ও তাদের স্বজনদের জন্য সাধ্যমতো সব করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। আক্রান্তদের দাবি, আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার ষড়যন্ত্রে জড়িত সেই পাষণ্ডদের কঠোর শাস্তি। এখনো থেমে নেই শেখ হাসিনাকে থমকে দেয়ার চক্রান্ত। ১৫, ১৭, ২১ আগস্টসহ বিভিন্ন সময় মাসটিতে ঘটানো অপঘাতের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন গ্রেনেডের ক্ষত বয়ে বেড়ানো হতভাগ্যরা।

তাইমুর রশীদ, বাংলাভিশন, ঢাকা।

You may also like

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে দুই জেএসএস কর্মী খুন

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির-এমএন