আরো ৩৪ আমদানিকারককে জিজ্ঞাসাবাদ

আমদানিকারকদের জিজ্ঞাসাবাদের ফলেই কয়েক দিনের মধ্যে পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে মনে করছেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সহিদুল ইসলাম। দুই দিনে শীর্ষ ৪৪ পেঁয়াজ আমদানিকারককে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি জানান, ব্যবসায়ীরা কথা দিয়েছেন সহযোগিতা করার। তবে আমদানিকারকদের অনেকে এই জিজ্ঞাসাবাদকে হয়রানিমূলক অভিহিত করে বলছেন, আমদানিকারকরা ভীত বা নিরুৎসাহিত হলে আরো অস্থির হয়ে উঠবে বাজার।

সরবরাহ কমার অযুহাতে দিন ঘন্টার হিসাবে বেড়ে চলা পেঁয়াজের বাজারে কোথাও মজুদদারি বা কৃত্রিম সঙ্কট চেষ্টা হয়েছে কিনা তা জানতে দুই দিন ধরে শীর্ষ ৪৪ পেঁয়াজ আমদানিকারককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে শুল্ক গোয়েন্দারা। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, আমদানিকারকরা প্রকৃত মজুদকারি নন। তবে তারা যাদের কাছে বিক্রি করেছেন সেই পাইকারি ও আড়ৎদারদের কেউ কেউ আমদানি হওয়া পেঁয়াজের সিংহভাগ কিনে নিয়েছেন। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের ফলেই বাজারে সরবরাহ বাড়বে, কমবে পেঁয়াজের ঝাঁঝ।

শুল্ক গোয়েন্দারা যে চিঠিতে আমদানিকারকদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিলো, তাতে বলা হয়েছিলো, তারা মজুদদারি করছেন, এবং অর্থপাচারের অভিযোগও আছে তাদের বিরুদ্ধে। তারপর দেশের নানাপ্রান্ত থেকে ঢাকায় হাজিরা দিতে আসা। সব মিলিয়ে গোটা প্রক্রিয়াটাকে হয়রানিমূলক ও অপমানজনক মনে করছেন কোন কোন আমদানিকারক। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সিদ্ধান্ত দিলে, পাইকারি পর্যায়েও জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রাখতে পারে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

সাইমুল হক, বাংলাভিশন, ঢাকা।

You may also like

ভারতের এনআরসি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি: ফখরুল

স্বাধীনতার ৫০ বছরের দ্বারপ্রান্তে এসে দেশ এখন গণতন্ত্রহীন