জাতির মেধাবী শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর দিন আজ

জাতির মেধাবী শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর দিন আজ। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসরা হত্যা করে লেখক, শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক প্রকৌশলী সহ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের। বিশ্ব মানচিত্রে স্থান পেতে যাওয়া দেশটি যাতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে সেজন্য হত্যা করা হয় বুদ্ধিজীবীদের। ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর। বিজয়ের ঠিক উষা লগ্ন।

মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের আগ মুহুর্তে, পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায় থেকে সদ্য জন্ম নিতে যাওয়া বাংলাদেশকে বুদ্ধিবৃত্তিক পর্যায়ে পঙ্গু করে দেবার পরিকল্পনা নেয়া হয় । আর তা বাস্তবায়নে মাঠে নামে পাক হানাদারদের এদেশীয় দোসররা। বেছে বেছে হত্যা করে জাতির মেধাবী সূর্য সন্তান লেখক, শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী সহ বুদ্ধিজীবীদের ।

৩ নভেম্বর পাকিস্তান সরকার দেশে জরুরি অবস্থা জারি করলে বদর বাহিনী সরাসরি নেমে পড়ে মিশনে। প্রথমেই আঘাত আসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ওপর। এই মিশন চালু ছিলো ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এসময়কালে সারাদেশে হত্যা করা হয়, নয়শ’ নব্বই জন শিক্ষক, ১৩ জন সাংবাদিক, ৫০ জন চিকিৎসক, ৫০ জন আইনজীবী, লেখক, প্রকৌশলীসহ আরো ১৮ জন বুদ্ধিজীবীকে । বুদ্ধিজীবী নিপীড়নের হোতা হিসেবে নাম আসে আল-বদর বাহিনীর। বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, বিজয়ের ঠিক আগে হত্যা করা হয়েছিল এক হাজার একশ এগারজন বুদ্ধিজীবীকে।

জাহাঙ্গীর আকন্দ, বাংলাভিশন, ঢাকা।

You may also like

প্রতিপক্ষ প্রার্থীকে প্রভাব বিস্তার না করার অনুরোধ ইশরাকের

ধানের শীষের গণজোয়ার দেখে ভোটারটা ভরসা পাচ্ছেন বলে