শুধু কাগজে-কলমেই চলছে কয়েকশ’ ইবতেদায়ী মাদ্রাসা

শুধু কাগজে-কলমেই চলছে বরগুনার কয়েকশ’ ইবতেদায়ী স্বতন্ত্র মাদ্রাসা। রয়েছে শত শত ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটিও। তবে বাস্তবচিত্র একদমই ভিন্ন। শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীতো দূরের কথা নেই মাদ্রাসার কোন চিহ্নও। অথচ তারা আবার এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান। অনেক মাদ্রাসা আছে, যার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নিজেই জানেন না তিনি প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি। স্থানীয়রা বলছেন, জামায়াত ইসলামের ছত্রছায়ায় চলছে মাদ্রাসাগুলি।

বরগুনা সদরের দক্ষিণ-পশ্চিম ধূপতি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাটি ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই এমপিওভুক্ত হওয়ার আবেদন করে। আবেদনে দেখা যায়, ১৪৩ জন শিক্ষার্থী ও পাঁচজন শিক্ষক দিয়ে চলমান আছে মাদ্রাসাটি। আর মাদ্রাসা পরিচালনা করছেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিসহ ১১ সদস্য। তবে বাস্তবচিত্র একেবারেই ভিন্ন। যেখানে মাদ্রাসা থাকার কথা, সেখানে রয়েছে একটি মসজিদ। মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তো দূরের কথা, মাদ্রাসার কোন অস্তিত্বও নেই সেখানে।

স্থানীয়রা জানান, জেলা জামায়াত ইসলামের নায়েবে আমীর মহিবুল্লাহ ও জজ কোর্টের বেঞ্চ সহকারী দুলাল খান প্রভাব খাটিয়ে কাগজে-কলমের এ মাদ্রাসা পরিচালনা করছেন। মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যরা বলছেন, তারা নিজেরাই জানেন না তারা প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনায় আছেন। জেলা শিক্ষা অফিস স্বীকার করেছে, পরিদর্শন ছাড়াই, শুধু কাগজপত্র দেখে মাদ্রাসার তালিকা পাঠিয়েছিল তারা। অভিযোগ রয়েছে, বরগুনায় মোট দু’শ’ চারটি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত। যার অন্তত দেড়শ’টির কোনো অস্তিত্ব নেই।

বাংলাভিশন নিউজডেস্ক।

You may also like

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ১১ বছর আজ

বিডিআর বিদ্রোহের ভয়াল ২৫ ফেব্রুয়ারি আজ। ২০০৯ সালের