গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় পুলিশের ভূমিকা ইতিহাস হয়ে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের মাধ্যমে পুলিশকে আরো জনবান্ধব হতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়। আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর দূর্বলতার কারণে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ যেনো বাধাগ্রস্ত না হয় সেদিকে সজাগ থাকার পরামর্শও দেন প্রধানমন্ত্রী। ‘মুজিববর্ষের অঙ্গিকার পুলিশ হবে জনতার’ এ প্রতিপাদ্যে এবার শুরু হলো পুলিশ সপ্তাহ। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে তা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার উপস্থিতিতে আরো প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুলিশ বাহিনীর এই মিলনমেলা।

আনুষ্ঠানিকতার শুরুতেই খোলা জিপে চড়ে সারাদেশের পুলিশ ইউনিটের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত ১০টি কন্টিনজেন্ট এবং পতাকাবাহী দলের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন সরকার প্রধান। এরপর, পুলিশ সদরদফতরের পুলিশ সুপার মো. ছালেহ উদ্দিনের নেতৃত্বে কুচকাওয়াজ। অংশ নেন সহস্রাধিক পুলিশ সদস্য। তাদের অভিবাদন নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  সেবা, সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য চার ক্যাটাগরিতে ১১৮ পুলিশ সদস্যকে পদক দেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে, পুলিশবাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ করেন সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ মাদক ও দুর্নীতি দমনে সরকারের অবস্থান। নির্দেশ দেন জনমনে অমূলক ভীতি তৈরি না করে পুলিশকে জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের। দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করছে বলে উদ্বেগ জানান শেখ হাসিনা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী মুজিব বর্ষ এবং ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশ আর্থসামাজিক খাতে এক অনন্য উচ্চতায় পরিণত হবে বলেও আশা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সৈয়দ আব্দুল মুহিত, বাংলাভিশন,ঢাকা।

You may also like

২৫ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার ২০২০

সকাল ৮:৩০ : দিন প্রতিদিন বেলা ১১:০৫ :