পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ১১ বছর আজ

বিডিআর বিদ্রোহের ভয়াল ২৫ ফেব্রুয়ারি আজ। ২০০৯ সালের ঐ বিদ্রোহে ৫৭ জন চৌকষ সেনাকর্মকর্তাসহ ৭৪জনকে হত্যা করেছিলো বিদ্রোহীরা। আর্থিক কারনে এ মামলার রায়ের পুরো কপি না পাওয়ায় আপীল করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন আসামী পক্ষের আইনজীবী। আর সার্টিফাইড কপি পেতে যে খরচ করতে হবে তাতে মামলার অচলাবস্থা তৈরি হবার শংকা জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি। পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালকের দরবার চলাকালে বিদ্রোহ করে বাহিনীটির কয়েক কর্মকর্তা ও সদস্যরা। তুমুল গোলাগুলি চলে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। মারা যান ৫৭ সেনাকর্মকর্তাসহ ৭৪জন। প্রাণে বেঁচে যান অন্যরা।

২০১৩ সালের পাঁচ নভেম্বর হত্যা মামলার রায়ে বিচারিক আদালতে ৮৫০ আসামীর মধ্যে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয় ১৬০ আসামীকে। ২৫৬ আসামীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়। আর খালাস দেয়া হয় ২৭৮ জনকে। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করে উভয়পক্ষ। ২০১৭ সালে রায়ে ১৪৮ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে বাকীদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয় হাইকোর্ট।

হাইকোর্ট পুরো রায় প্রকাশ করে যার পৃষ্ঠা সংখ্যা দুই হাজার নয়শো উনোষাট পৃষ্ঠা। এর সার্টিফাইড কপি তুলতে একজন আসামীকে খরচ করতে হবে প্রায় পৌনে দুই লাখ টাকা। যা বেশির ভাগ আসামীর পক্ষে অসম্ভব বলে জানান আসামী পক্ষের আইনজীবী। মামলার কাজ শেষ করতে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে চেষ্টার কথা জানান এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। যাবতীয় অচলাবস্থা কাটিয়ে রায় কার্যকর হোক -এটাই প্রত্যাশা।

রিয়াদ তালুকদার, বাংলাভিশন, ঢাকা।

You may also like

জনগণকে ঘরে থাকার আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দলীয় নেতকর্মীসহ দেশের সবাইকে প্রধানমন্ত্রী