করোনার লক্ষণ নিয়ে তিন জনের মৃত্যু

চট্টগাম ও শরীয়তপুরে আইসোলেশনে থাকা দুজন মারা গেছেন। এছাড়া, জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্ট ও বমি নিয়ে নড়াইলে মারা গেছেন এক যুবক। এদিকে, করোনা সতর্কতায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় এখনো সন্দেহভাজনদের নেয়া হচ্ছে হোম কোয়ারেন্টিনে। সারাদেশে কোয়ারেন্টিনে আছেন ২০ হাজার মানুষ ।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিআইটিআইডি হাসপাতালের আইসোলেশনে থাকা ষাটোর্ধো এক নারী মঙ্গলবার রাতে মারা যান। তিনি বিদেশ ফেরত বা করোনা আক্রান্ত কারো সংস্পর্শে ছিলেন কিনা তা অনুসন্ধান ও তার নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। এদিকে, শরীয়তপুর এক যুবক মারা গেছেন সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে। তিনি শ্বাসকষ্ট নিয়ে মঙ্গলবার বিকালে হাসপাতালে ভর্তি হন।

নড়াইলে মারা গেছেন শওকত আলী নামে এক ব্যবসায়ী। স্বজনরা জানান, জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্ট থাকায় এক সপ্তাহ আগে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি হন তিনি। অবস্থার অবনতি হলে নেয়া নড়াই সদর হাসপাতালে। সেখানে মঙ্গলবার রাতে মারা যান তিনি। এদিকে, রংপুরের ছয় জেলায় ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৩১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। গাইবান্ধায় সন্দেহভাজনদের নমুনা সংগ্রহ করছে আইইডিসিআর। করোনা সন্দেহে জয়পুরহাটে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ছয়জনকে।

সাতক্ষীরায় নতুন আরো ১১৬ জনসহ দুই হাজার সাতশ ৫৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে। ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে চারশ ৫৪ জনকে। জ্বর ও কাশি নিয়ে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন ভর্তি হওয়ায় অন্য রোগীরা হাসপাতাল ছেড়েছেন। তিনি করোনায় আক্রান্ত কিনা তা নির্নয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছে আইইডিসিআর। অন্যদিকে, রাঙ্গামাটিতে গত ২৪ ঘন্টায় একজনকে হোম কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে। তবে খাগড়াছড়িতে নতুন আর কেউকে হোম কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়নি।

শনিবার পটুয়াখালীতে মারা যাওয়া আব্দুর রশিদের শরীরে করোনা পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক মতিউল ইসলাম। এছাড়া আরো তিন জনের রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছে। নোয়াখালীতে সোনাইমুড়ীতে দুই পরিবারের ছয়জনকে আইসোলেসনে নেয়া হয়েছে। লক ডাউন করা হয়েছে তাদের বাড়ি। অসুস্থরা দুবাই প্রবাসী আত্মীয়ের সংস্পর্শে গিয়েছিলেন। সবার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

You may also like

ভারত থেকে বিশ্বকাপ সরিয়ে নেয়ার হুমকি আইসিসির

২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেট নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ছে