শপিং মল ও দোকান খোলা নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় মালিক-কর্মচারিরা

সরকারের সিদ্ধান্ত পেলেও মার্কেট ও শপিংমল খোলা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দে দোকান মালিকরা। একপক্ষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে রবিবার থেকে দোকান চালু করতে চাইলেও বেশিরভাগ শপিংমল পরিচালনা সংগঠন এই পরিস্থিতিতে দোকান বন্ধের পক্ষে। যদিও সরকারের সিদ্ধান্ত পেয়ে এলাকাভিত্তিক ও পাইকারি কিছু মার্কেট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।এদিকে সারাদেশ ৯০ ভাগ দোকানপাট বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।

করোনা সংক্রমন ঠেকাতে গত ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে চলছে সাধারণ ছুটি। বন্ধ রয়েছে শপিং মল, দোকানপাট-মার্কেট। এর ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েছে কর্মচারীরা। আর্থিক ক্ষতির মুখে মালিকরা, এমন দাবি করে দোকান মালিক সমিতির নেতারা ঈদের আগে শপিং মল, বিপনীবিতান খোলার অনুরোধ জানায় সরকারের কাছে। তাদের দাবিতে কিছু নিয়ম পালনের নির্দেশ দিয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছে সরকারও। তবে, খোলা না বন্ধ এনিয়ে দোটানায় মালিকরা। এরইমধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বসুন্ধরা শপিং মল, যমুনা ফিউচার পার্ক, নিউমার্কেট।

ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় ইস্টার্ন প্লাজা, আড়ংসহ অনেক প্রতিষ্ঠান ঈদ শপিংয়ের জন্য খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মেনে সুরক্ষা নিশ্চিত করেই মার্কেট পরিচালনা করবেন তারা। এ ব্যাপারে দোকান মালিক সমিতির নেতারা বলেন, দোকান বন্ধ রাখা বা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত মালিকদের। খোলা রাখলে অবশ্যই সরকারের নিয়ম মানতে হবে বলেও জানান তিনি। শপিং মল খোলা থাকলেও ক্রেতা কতটা থাকবে তা নিয়ে সংশয় আছে মালিকদের।

You may also like

০৪ জুন, বৃহস্পতিবার ২০২০

সকাল ৮:৩০ : দিন প্রতিদিন বেলা ১১:০৫ :