পরিবারের সদস্যরা না এলেও এগিয়ে এসেছে মানবতা

দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় দাফন নিয়ে হিমশিম অবস্থা। পরিবারের প্রিয় সদস্য মারা গেলেও এগিয়ে আসছেন না স্বজনরা। এমন কঠিন বাস্তবতায় দাফন কাজে এগিয়ে এসেছে আরেকটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ মৃতদেহ দাফন করছে আল রশিদ ফাউন্ডেশন নামের প্রতিষ্ঠানটি। মৃত্যু মানুষকে একা করে দেয় ঠিকই। সেই সাথে স্বজনদের করে শোকাহত। কিন্তু, একটি লাশ পরিবারকে কতোটা অসহায় করে তোলে, তা হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে দিচ্ছে করোনা ভাইরাস।

শুভাকাঙ্খি, স্বজন, প্রিয়জন কেউই কাছে ঘেঁষছে না আজ। আদরের সন্তানকে শেষ বারের মতো ছুঁয়ে দেখা দূরে থাক, মুখটাও শেষ দেখা ভাগ্যে জুটছে না মা-বাবার। করোনা এতোটাই অসহায়- অমানবিক করে তুলছে সৃষ্টির সেরা জীব মানুষকে। মহামারি এই ভাইরাসে দিন দিন দীর্ষ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। সংক্রমণের অজানা আতঙ্কে দাফনে শরীক হতে ভীত পরিবারের সদস্যরাও। তখন এই মানবিক দায়িত্বে এগিয়ে এসেছে আল রশিদ ফাউন্ডেশন।

এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদফতর নিশ্চিত করেছে করোনায় মৃত্যুর তিন ঘন্টা পর ভাইরাস ছড়ায় না। এতোদিন নির্দেশনা ছিল শুধু সরকারি গোরস্থানে দাফনের। এখন থেকে পারিবারিক কবরস্থানেও সমাহিত করার কথা বলছে সরকার।

মিরাজ হোসেন গাজী, বাংলাভিশন,ঢাকা।

You may also like

রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন ডাক্তার সাবরিনা

রিমান্ডের প্রথম দিনে গোয়ান্দারের কাছে জেকেজির প্রতারণা নিয়ে