সংকট শক্তভাবে মোকাবেলার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাজেট বাস্তবায়নে অতীতের মতোই ভবিষ্যতেও ব্যর্থ হবে না সরকার। যত সংকটই আসুক, তা শক্তভাবে মোকাবেলা করা হবে। দেশের কোনো মানুষকে না খেয়ে থাকতে হবে না। সংসদে বাজেট আলোচনায় তিনি জানান, করোনায় অর্থনীতির ক্ষতি কাটাতে এক লাখ কোটি টাকার বেশি খরচে ১৯টি প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন করছে সরকার। তিনি জানান, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের দুর্নীতি বিরোধী লড়াই অব্যাহত থাকবে।

সোমবার জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যে বাজেট তৈরির প্রক্রিয়ায় নিয়োজিতদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, গোটা দুনিয়া এখন মহামন্দার দ্বারপ্রান্তে। এ চিন্তা করে নতুন বাজেট নিয়ে অনেকে অনেক কথা বললেও প্রধানমন্ত্রীর আশা, বাজেট বড় হলেও তা বাস্তবায়নে এবারও ব্যর্থ হবে না সরকার।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এত সংকটের পরও দেশের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ভর করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়িয়েছে ৩৫ বিলিয়ন ডলার। তার আশা, অক্টোবর-নভেম্বর নাগাদ করোনার টিকা বের হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। এ পরিস্থিতিতে হতদরিদ্র মানুষকে সুরক্ষা দেয়া এবং কর্মসংস্থান তৈরিসহ চারটি লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন তিনি।

এর আগে সংসদে, বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের ও বিএনপি’র এমপি হারুনুর রশীদ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়াসহ বাজেটের বিভিন্ন প্রস্তাবের সমালোচনা করেন। অন্য সদস্যরা বাজেটের ওপর জনমত যাচাই এবং সংশোধনীর প্রস্তাব দেন। অর্থমন্ত্রী জানান, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালুর মধ্যদিয়ে নতুন বাজেটের লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবেন তিনি। তাই বড় সংশোধনী ছাড়াই কণ্ঠভোটে পাস হয় নতুন অর্থবিল। এরপর সংসদ মঙ্গলবার পর্যন্ত মূলতবি করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরি। রীতি অনুযায়ী ৩০ জুন পাস হবে ২০২০-২১ অর্থবছরের নতুন বাজেট।

জিয়াউল হক সবুজ, বাংলাভিশন, ঢাকা।

You may also like

যতো ক্ষমতাবান হোক, ছাড় নেই সাহেদের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ শাহেদের অপর্কীতির জন্য লজ্জিত