করোনার ছয়মাসেও তেমন সুখবর নেই ভ্যাকসিন তৈরির

করোনার ছয়মাসেও তেমন সুখবর নেই ভ্যাকসিন তৈরির। প্রি- ট্রায়াল, প্রাথমিক ট্রায়ালেই ঘুরপাক খাচ্ছে বেশিরভাগ উদ্যোগ। যদিও চলতি বছরের মধ্যেই কোভিড-নাইনটিনের ভ্যাকসিন বাজারে ছাড়া সম্ভব বলে দাবি চীন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের। তবে, দেশের জন্য সুসংবাদ হলো দেশিয় একটি প্রতিষ্ঠানের ভ্যাকসিন তৈরির ঘোষণা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভ্যাকসিন তৈরি হলেই হবে না, সেটির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে বাংলাদেশকে

করোনার থাবায় গত ছয়মাস টালমাটাল পুরো বিশ্বের স্বাস্থ্যব্যবস্থা। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে এখন করোনার ভ্যাকসিন তৈরিতে মাঠে নেমেছে উন্নত দেশের বিভিন্ন কোম্পানি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভ্যাকসিন তৈরিতে বিভিন্ন দেশের ১৪৩টি উদ্যোগ চলমান। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। এ প্রক্রিয়ার মধ্যে ১২৫টির বেশি রয়েছে প্রি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে। ১১টি প্রথম ধাপে, ৮টি আছে দ্বিতীয় ধাপে। তিনটি তৃতীয় ধাপে। পরীক্ষামূলক ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে একটি । বাংলাদেশের উদ্যোগটি রয়েছে প্রি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পর্যায়ে।

সাধারনভাবে ভ্যাকিসন অনুমোদন, তৈরি ও উৎপাদনে কয়েক বছর থেকে দশক পর্যন্ত সময় লাগে। আবার মার্কেটে ছাড়ার পর প্রত্যাহার করে নেয়ার ইতিহাসও আছে। তবে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব বিপত্তি পেরিয়ে সার্স কভ-২ এর ভ্যাকসিন আসতে পারে দ্রুততম সময়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পনের-ষোলো কোটি মানুষের ভ্যাকসিন একবারেই পাওয়া সম্ভব হবে না, তাই বিভিন্ন দেশের কার্যক্রমের সাথে লেগে থাকতে হবে বাংলাদেশকে। আইসিডিডিআরবি, চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাকের অংশীদার হিসেবে ইনঅ্যাক্টিভেটেড করোনাভ্যাক ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করবে বাংলাদেশে।

রিশান নাসরুল্লাহ
বাংলাভিশন, ঢাকা

You may also like

দেশে করোনায়ও তৎপর কিশোর গ্যাং

করোনার এই কঠিন সময়েও দেশের বিভিন্ন শহরে কিশোর