করোনায় বন্ধের ঝুঁকিতে এলাকাভিত্তিক স্কুল ও কোচিং সেন্টার

করোনা ঝাপ্টার মাঝে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কোনভাবে টিকে গেলেও বন্ধের ঝুঁকিতে পড়েছে রাজধানীর এলাকাভিত্তিক স্কুল ও কোচিং সেন্টারগুলো। তিন-চার মাস ধরে বেতন নেই শিক্ষকদের। মানবেতর জীবনযাপন করলেও তাদের দিকে তাকাবার যেন কেউ নেই। বাধ্য হয়ে বেছে নিচ্ছেন পেশা বদলের পথ। কঠিন এ বাস্তবতায় আর্থিক প্রণোদনার দাবি স্কুল-কোচিং মালিকদের।

গত কয়েক বছরে ঢাকার প্রায় সব এলাকায় গড়ে উঠেছে ছোট-বড় কিন্ডারগার্টেন ও কোচিং সেন্টার। প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও, এসব প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান বা কর্মস্থল। করোনা তাদের জীবিকা অনিশ্চিত করে তুলেছে।

বেশিরভাগ স্কুল-কোচিং চার মাস ধরে বন্ধ। তালা ঝুলছে গেইটে। যেসব শ্রেণিকক্ষ মুখর থাকতো শিশুদের হইহুল্লোড়ে, এখন শুধুই নীরবতা। ধুলো জমেছে বেঞ্চে। ফাঁকা পড়ে আছে হোয়াইট বোর্ড। টুকটাক অনলাইনে ক্লাস চললেও, বেতন দিতে অনীহা অভিভাবকদের। সবমিলিয়ে যেন দুর্বিসহ জীবন শিক্ষকদের।

এমন বাস্তবতায় অসহায় স্কুল-কোচিংগুলোর মালিকেরা। বলছেন, শিক্ষকদের বেতন দূরে থাক, ভবন ভাড়াই টানতে পারছেন না তারা। সরকারের আর্থিক প্রণোদনা না মিললে একেবারে বন্ধ করে দেয়া ছাড়া আর কোন পথ দেখছেন না। এলাকার বিত্তবানদের এগিয়ে আসারও অনুরোধ এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের।

তাইমুর রশীদ, বাংলাভিশন, ঢাকা।

You may also like

দেশে করোনায়ও তৎপর কিশোর গ্যাং

করোনার এই কঠিন সময়েও দেশের বিভিন্ন শহরে কিশোর