দুদফা বন্যায় গরু নিয়ে বিপাকে গাইবান্ধার খামারীরা

দুদফা বন্যায় গরু নিয়ে বিপাকে গাইবান্ধার খামারীরা। গো-খাদ্যের সঙ্কট ও গরু পালনের উপযুক্ত পরিবেশ না থাকায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। এদিকে, প্রাকৃতিক উপায়ে পশু মোটাতাজা করলেও বাজার নিয়ে শঙ্কা কাটছেনা ভৈরবের খামারীদের। দু’দফা বন্যায় ডুবে গেছে গাইবান্ধার চার উপজেলার একশ ৬৫ টি চরাঞ্চল। এ অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষই গরু পালন করে। কিন্তু করোনা ও বন্যা খামারীদের ফেলেছে দ্বিগুন দুশ্চিন্তায়। গো-খাদ্যের অভাবে ভেঙে যাচ্ছে গরুর শরীর। দাম না পাওয়ার শঙ্কায় তারা। তারওপর আবার ডাকাত আতঙ্ক।

এদিকে, খাগড়াছড়িতে প্রাকৃতিত পরিবেশে লালন পালন করা হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার গরু-ছাগল। পাহাড়ে বেড়ে উঠা এসব পশুর কদরও বেশ। কিন্তু এবার করোনার কারণে পশু বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় খামারীরা।ক্রেতাশুন্য বাজার। পাহাড়ে ‘অনলাইন বাজার কঠিন বলছেন খামারীরা। অন্যদিকে ভৈরবে রাজাসাহেব, বাহুবলি ও কালোমানিক এমন বিভিন্ন নামে ৩৫টি গরু মোটাতাজা করেছেন আশরাফুল আলম। অন্যান্য বছর কোরবানীর একমাস আগেই গরু বিক্রি হতে শুরু করে তার খামার থেকে। কিন্তু এ বছর ক্রেতাদের আগ্রহ কম দেখছেন তিনি।

প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে বেশি খরচে গরু লালন পালন করে করোনা পরিস্থিতিতে বিপাকে উপজেলার খামারীরা। সামাজিক দূরত্ব মেনে পশুর হাট বসানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা। অনলাইনেও পশু বিক্রির পরামর্শ দিচ্ছেন কর্মকর্তারা।

You may also like

বিশেষ ব্যবস্থায় সৌদি আরবে চলছে হজের আনুষ্ঠানিকতা

করোনাভাইরাসের কারণে বিশেষ ব্যবস্থায় সৌদি আরবে চলছে হজের