মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

উন্নতি নেই দেশের বন্যা পরিস্থিতির। উৎকণ্ঠ বাড়ছে দুর্গতদের। দীর্ঘদিন পানিবন্দি থেকে দুর্বিষহ জীবন কাটছে বানভাসীদের। বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সঙ্কটে তারা। এখনো বিপদসীমার উপরে দেশের ১৮টি নদীর পানি। থৈ থৈ পানিতে তলিয়ে আছে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি। পানিবন্দি জীবনে চরম দুর্ভোগে বানভাসীরা। কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপূত্র এবং ধরলার পানি বিপদসীমার উপরে। হাজার-হাজার মানুষ খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। দেখা দিয়েছে খাদ্যের অভাব। নেই ত্রাণ তৎপরতা। ৯ উপজেলার সাড়ে ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দি।

দফায় দফায় পানি বাড়ছে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে। তৃতীয় বারের মত বন্যায় আতংকে দুর্গতরা। বাঁধের ওপর মানবেতর জীবন কাটছে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের। এক মাসেরও বেশি সময় যমুনার পানিতে ডুবে গেছে তাদের বাড়ি ঘর। জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। তৃতীয় দফা বন্যার কবলে পড়া জেলার আড়াই লাখ পরিবারের ১০ লাখেরও বেশি মানুষ চরম দূর্ভোগে পড়েছে। পানিবন্দি মানুষের মধ্যে খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও জ্বালানী সংকট দেখা দিয়েছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ বানভাসীদের। গাইবান্ধায়ও বেশিরভাগ নদীর পানি বাড়ছে। প্লাবিত হয়েছে নতুন নতুন এলাকা। এর সাথে বেড়েছে নদী ভাঙ্গন । নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ। সিরাজগঞ্জে এক মাসেরও বেশি সময় পানিবন্দি দুর্গতরা। এর মধ্যে আবার তীব্র ভাঙনে নিঃস্ব হয়েছে অনেক পরিবার। খোলা আকাশেরে নিচে,অবর্ননীয় দুর্ভোগে তারা। মুন্সীগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তি । পানিবন্দি শতাধিক গ্রামের প্রায় ৭০ হাজার মানুষ। বেশ কিছু এলাকায় দেখা দিয়েছে পানিবাহীত রোগ। দেখা দিয়ে খাবার সঙ্কট। তীব্র রুপ নিয়েছে নদী ভাঙনও। গাজীপুরে প্লাবিত হয়েছে তিন ইউনিয়নের ৫৯টি গ্রাম।

You may also like

বাংলাদেশ কারো সাথে যুদ্ধ চায় না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ কারো সাথে যুদ্ধ